১৭/১৪. অধ্যায়ঃ

ইস্তিস্কার সলাতে স্বরবে ক্বিরাআত পাঠ করা

ইসতিসকার সালাতে উচ্চস্বরে কিরাতের হাদিস

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১৫২২

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ تَمِيمٍ، عَنْ عَمِّهِ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ فَاسْتَسْقَى، فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ جَهَرَ فِيهِمَا بِالْقِرَاءَةِ»

আব্বাদ ইব্‌ন তামীমের চাচা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (একদিন) বের হলেন এবং ইসতিসকার দুই রাকাত সালাত আদায় করলেন। তাতে তিনি উচ্চৈঃস্বরে কুরআন পাঠ করলেন।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১৫২২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর ইসতিসকার সালাতের একটি নির্দিষ্ট দিক এসেছে। তিনি বৃষ্টির জন্য বের হন এবং দুই রাকাত সালাত আদায় করেন। এই দুই রাকাতে তিনি উচ্চস্বরে কুরআন পাঠ করেন। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও সালাতুল ইসতিসকার পদ্ধতি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মূল বিষয় হলো, বৃষ্টির জন্য দোয়ার সাথে সালাত আদায় করা হয়েছে এবং সেই সালাতে জাহরি কিরাত ছিল। এতে বোঝা যায়, বৃষ্টি চাওয়ার সময় মুসলিমরা আল্লাহর দিকে ফিরে সালাত ও দোয়ার মাধ্যমে নিজেদের প্রয়োজন তুলে ধরে। এই বর্ণনায় অতিরিক্ত কোনো খুতবা বা আলাদা শর্ত বলা হয়নি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ইসতিসকার সালাত দুই রাকাত হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
  • এই সালাতে নবী صلى الله عليه وسلم উচ্চস্বরে কুরআন পাঠ করেছেন।
  • বৃষ্টির প্রয়োজন হলে আল্লাহর দিকে সালাত ও দোয়ার মাধ্যমে ফিরে যেতে হয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন