১৬/২৩. অধ্যায়ঃ
গ্রহণকালীন (সলাতের পর) খুত্ববার প্রকার
সূর্যগ্রহণের খুতবা: কুসূফের সময় নবী صلى الله عليه وسلم-এর শিক্ষা
সুনানে নাসাঈ : ১৫০১
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ১৫০১
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ الْحَفَرِيُّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ الْأَسْوَدِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ ثَعْلَبَةَ بْنِ عَبَّادٍ، عَنْ سَمُرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَطَبَ حِينَ انْكَسَفَتِ الشَّمْسُ فَقَالَ: «أَمَّا بَعْدُ
সামুরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) খুতবা দিলেন যখন সূর্যগ্রহণ লেগে গেল। খুতবাতে তিনি হামদ ও সানার পর বললেন- (আম্মা- বা'দু)।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ১৫০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সূর্যগ্রহণের খুতবা। বর্ণনায় এসেছে, সূর্যগ্রহণ লাগলে নবী صلى الله عليه وسلم খুতবা দেন। তিনি খুতবার শুরুতে আল্লাহর হামদ ও সানা করেন, তারপর “আম্মা বা‘দ” বলে কথা শুরু করেন। এখানে কুসূফ বা সূর্যগ্রহণকে শুধু আকাশের একটি ঘটনা হিসেবে দেখা হয়নি; বরং এমন সময়ে মানুষকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনার একটি শিক্ষা দেখা যায়। হাদিসে বিস্তারিত বক্তব্য নেই, তাই এর বাইরে কোনো অতিরিক্ত কথা যোগ করা ঠিক নয়। সরাসরি শিক্ষা হলো, গুরুত্বপূর্ণ সময়েও খুতবা আল্লাহর প্রশংসা দিয়ে শুরু করা নবী صلى الله عليه وسلم-এর আদর্শ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূর্যগ্রহণের মতো ঘটনায় মানুষকে আল্লাহর কথা স্মরণ করানো যায়।
- খুতবা শুরুতে আল্লাহর হামদ ও সানা করা নবী صلى الله عليه وسلم-এর পদ্ধতি।
- ধর্মীয় বক্তব্যে সংযত ও সুন্নাহভিত্তিক কথা বলা উচিত।
