১/৯৮. অধ্যায়ঃ

মুসাফিরের জন্য মোজার উপর মাসাহ করার সময়সীমা

সফরে মোজার উপর মাসাহের সময়সীমা: তিন দিন তিন রাত

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১২৬

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ زِرٍّ، عَنْ صَفْوَانَ بْنِ عَسَّالٍ قَالَ: «رَخَّصَ لَنَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا كُنَّا مُسَافِرِينَ أَنْ لَا نَنْزِعَ خِفَافَنَا ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ وَلَيَالِيَهُنَّ»

সাফওয়ান ইব্‌ন আস্‌সাল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা যখন সফর অবস্থায় থাকি তখন নাবী (ﷺ) আমাদেরকে তিন দিন তিন রাত পর্যন্ত মোজা না খোলার ব্যাপারে অনুমতি দিয়েছেন।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১২৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সফরে মোজার উপর মাসাহ করার সময়সীমা। সাফওয়ান ইবন আসসাল রাঃ বলেন, তাঁরা যখন সফরে থাকতেন, তখন নাবী صلى الله عليه وسلم তাঁদেরকে তিন দিন তিন রাত পর্যন্ত মোজা না খোলার অনুমতি দিয়েছেন। হাদিসটি খুব সহজ ভাষায় সফর অবস্থার একটি সুবিধা জানায়। এখানে মুকিমের সময়সীমা বলা হয়নি, শুধু মুসাফিরের কথা এসেছে। তাই এই বর্ণনা থেকে আমরা এতটুকুই বলি যে, সফরে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মোজা খুলে পা ধোয়ার বদলে মাসাহের সুযোগ আছে। এটি পবিত্রতা ও ওজুর বিধানে সহজতার একটি দিক।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সফর অবস্থায় তিন দিন তিন রাত পর্যন্ত মোজা না খোলার অনুমতি এসেছে।
  • ইসলামে ওজুর বিধানে সফরকারীর জন্য সহজতার দিক রয়েছে।
  • হাদিসে যে সীমা বলা হয়েছে, সেটি মানা গুরুত্বপূর্ণ।
  • মাসাহের বিধান পবিত্রতার অংশ, অবহেলার বিষয় নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন