১৩/১০. অধ্যায়ঃ
সলাতে (কোনো দিকে) দৃষ্টিপাত করার ব্যাপারে কঠোরতা
নামাজে এদিক-সেদিক তাকানো থেকে বাঁচার শিক্ষা
সুনানে আন-নাসায়ী : ১১৯৭
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১১৯৭
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، بِمِثْلِهِ،
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আয়িশা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (ﷺ) হতে অনুরূপ বর্ণিত আছে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১১৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা রাঃ-এর সূত্রে নবী صلى الله عليه وسلم থেকে আগের বর্ণনার অনুরূপ বক্তব্য এসেছে। আগের বর্ণনায় সালাতে এদিক-সেদিক তাকানোকে শয়তানের ছোঁ মারা বলা হয়েছে, যা মানুষের সালাতের একাগ্রতা থেকে অংশ নিয়ে যায়। তাই এই হাদিসও একই মূল শিক্ষা জোরালো করে: নামাজে অকারণে দৃষ্টি ঘোরানো উচিত নয়। যেহেতু বর্তমান বর্ণনার পাঠে শুধু ‘অনুরূপ’ বলা হয়েছে, তাই ব্যাখ্যাও আগের বক্তব্যের সীমার মধ্যেই থাকা দরকার। নতুন কোনো ঘটনা, ভঙ্গি বা বিধান যোগ করার সুযোগ নেই। একই বিষয় একাধিক সূত্রে বর্ণিত হওয়া মুসল্লির জন্য সতর্কতাটির গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে। সালাতে চোখ ও মুখ স্থির রাখা, চারপাশের নড়াচড়ায় বারবার না তাকানো এবং মনকে নামাজে ধরে রাখার চেষ্টা—এই বর্ণনার সঙ্গে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতে এদিক-সেদিক তাকানো থেকে বিরত থাকার শিক্ষা পুনরায় এসেছে।
- এই আচরণকে শয়তানের ছোঁ মারা হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
- অনুরূপ বর্ণনায় নতুন তথ্য যোগ না করে মূল বক্তব্য অনুসরণ করা উচিত।
