১২/৮৯. অধ্যায়ঃ
দু' সাজদার মধ্যে বসার পরিমাণ
সালাতে রুকু, সিজদা ও বসার সময়ের ভারসাম্য
সুনানে আন-নাসায়ী : ১১৪৮
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১১৪৮
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ أَبُو قُدَامَةَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ شُعْبَةَ، قَالَ: حَدَّثَنِي الْحَكَمُ، عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ الْبَرَاءِ قَالَ: «كَانَ صَلَاةُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رُكُوعُهُ وَسُجُودُهُ وَقِيَامُهُ بَعْدَ مَا يَرْفَعُ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ وَبَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ قَرِيبًا مِنَ السَّوَاءِ»
বারা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সালাতে তাঁর রুকু, সিজদা এবং রুকু থেকে মাথা উঠানোর পরে দাঁড়ানো এবং দুই সিজদার মাঝে বসা প্রায় সমান হত।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১১৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সালাতের বিভিন্ন অংশের সময় সম্পর্কে একটি সরল বর্ণনা এসেছে। তাঁর রুকু, সিজদা, রুকু থেকে মাথা তোলার পর দাঁড়ানো এবং দুই সিজদার মাঝে বসা—এসব সময় প্রায় সমান ছিল। হাদিসটির মূল বিষয় সালাতে ভারসাম্য ও ধীরতা। এর মানে এই নয় যে প্রতিটি অংশ ঘড়ি ধরে একেবারে একই সময়ের ছিল; বর্ণনায় “প্রায় সমান” বলা হয়েছে। তাই কথাটিকে সেই ভারসাম্যপূর্ণ অর্থেই বুঝতে হবে। এতে বোঝা যায়, সালাতের কোনো অংশ খুব তাড়াতাড়ি শেষ করে দেওয়া এবং অন্য অংশ অস্বাভাবিকভাবে দীর্ঘ করা—এমন ছবি এখানে নেই। বরং রুকু, সিজদা, রুকুর পর দাঁড়ানো ও দুই সিজদার মাঝের বসায় একটি কাছাকাছি স্থিরতা দেখা যায়। হাদিসটি সালাত ধীরে ও মনোযোগ দিয়ে আদায়ের ভাবটি স্পষ্ট করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রুকু ও সিজদার সময় প্রায় সমান হওয়ার বর্ণনা আছে।
- রুকুর পর দাঁড়ানোও লক্ষণীয় সময় ধরে হতো।
- দুই সিজদার মাঝের বসা তাড়াহুড়োর ছিল না।
- হাদিসে সালাতের বিভিন্ন অংশে ভারসাম্য দেখা যায়।
