১২/৫২. অধ্যায়ঃ
সাজদায় অঙ্গ পৃথক করে রাখা
সিজদায় হাত আলাদা রাখা: বকরির বাচ্চার উদাহরণে স্পষ্ট নিয়ম
সুনানে নাসাঈ : ১১০৯
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ১১০৯
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْأَصَمِّ، عَنْ عَمِّهِ يَزِيدَ وَهُوَ ابْنُ الْأَصَمِّ، عَنْ مَيْمُونَةَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ إِذَا سَجَدَ جَافَى يَدَيْهِ، حَتَّى لَوْ أَنَّ بَهْمَةً أَرَادَتْ أَنْ تَمُرَّ تَحْتَ يَدَيْهِ مَرَّتْ»
মায়মূনা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) যখন সিজদা করতেন তখন তাঁর দুই হাত পৃথক রাখতেন। এমনকি যদি একটি বকরির বাচ্চা তাঁর দুই হাতের নিচ দিয়ে যেতে চাইতো, যেতে পারত।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ১১০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم সিজদার সময় কতটা খোলা ভঙ্গি রাখতেন, তা একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বোঝানো হয়েছে। তিনি দুই হাত শরীর থেকে এমনভাবে আলাদা রাখতেন যে একটি ছোট বকরির বাচ্চা চাইলে হাতের নিচ দিয়ে চলে যেতে পারত। বর্ণনাটির উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট দূরত্ব মাপা নয়; বরং বাহু শরীরের সঙ্গে চেপে না রাখার বিষয়টি স্পষ্ট করা। তাই সিজদার সঠিক নিয়মের মধ্যে হাত ও পাঁজরের মাঝখানে ফাঁকা রাখা অন্তর্ভুক্ত। এই হাদিস বাহু মাটিতে বিছিয়ে দেওয়ার কথাও বলে না। বরং নবী صلى الله عليه وسلم-এর প্রশস্ত ও খোলা সিজদার ছবি তুলে ধরে। সালাতে নিজের ভঙ্গি ঠিক করার সময় এই বর্ণনা মনে রাখলে সিজদায় হাতের অবস্থান সহজে বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সিজদায় দুই হাত শরীর থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা রাখার বর্ণনা রয়েছে।
- বকরির বাচ্চার উদাহরণটি খোলা ভঙ্গির পরিমাণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- উদাহরণ থেকে নির্দিষ্ট মাপ বানানো নয়, মূল ভঙ্গিটি বোঝাই গুরুত্বপূর্ণ।
