১২/১৯. অধ্যায়ঃ
রুকু' হতে উঠার সময় কাঁধ পর্যন্ত হাত উঠানো
কাঁধ পর্যন্ত হাত তোলা ও রুকুর পর হামদ
সুনানে নাসাঈ : ১০৫৭
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ১০৫৭
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَرْفَعُ يَدَيْهِ إِذَا دَخَلَ فِي الصَّلَاةِ حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ، وَإِذَا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ، فَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ، وَإِذَا قَالَ: «سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ»، قَالَ: «رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ»، وَكَانَ لَا يَرْفَعُ يَدَيْهِ بَيْنَ السَّجْدَتَيْنِ
আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সালাত আরম্ভ করতেন তখন কাঁধ পর্যন্ত তাঁর দু’ হাত উঠাতেন। আর যখন তিনি রুকু হতে মাথা উঠাতেন তখনও এমন করতেন। যখন তিনি "সামি'আল্লাহু লিমান হামিদাহ” (যে বান্দা আল্লাহর হামদ বা প্রশংসা করে আল্লাহ তার হামদ শ্রবণ করেন) বলতেন, তখন "রব্বানা লাকাল হামদ" (হে আমাদের পালনকর্তা! প্রশংসা তোমারই জন্যে) বলতেন। আর তিনি দু’ সিজদার মাঝে হাত উঠাতেন না।
সুনানে নাসাঈ হাদিস ১০৫৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সালাতের কয়েকটি ধাপ একসঙ্গে বর্ণিত হয়েছে। তিনি সালাত শুরু করার সময় কাঁধ পর্যন্ত দুহাত তুলতেন। রুকু থেকে মাথা ওঠানোর সময়ও একইভাবে হাত তুলতেন। “সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলার পর তিনি “রব্বানা লাকাল হামদ” বলতেন। পাশাপাশি বর্ণনায় স্পষ্ট করা হয়েছে, দুই সিজদার মাঝে তিনি হাত তুলতেন না। ফলে হাদিসটি হাত তোলার স্থান এবং না তোলার স্থান—দুটিই জানায়। এখানে রুকুতে যাওয়ার সময়ের কথা এই অনুবাদে আলাদা করে নেই, তাই ব্যাখ্যায় অনুবাদের সীমা রাখা উচিত। সালাতের ধারাবাহিকতা শেখার সময় এই বর্ণনা কাজে আসে: শুরুতে হাত তোলা, রুকুর পর সোজা হওয়া, আল্লাহর প্রশংসা বলা এবং সিজদার মাঝের অবস্থায় হাত না তোলা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত শুরুতে কাঁধ পর্যন্ত হাত তোলার বর্ণনা রয়েছে।
- রুকু থেকে ওঠার সময়ও একইভাবে হাত তোলা হয়েছে।
- রুকুর পর “রব্বানা লাকাল হামদ” বলা হয়েছে।
- দুই সিজদার মাঝে হাত না তোলার কথা এসেছে।
