১২/৭. অধ্যায়ঃ
রুকূ'তে ক্বিরাআত পড়ার নিষেধাজ্ঞা
রুকু অবস্থায় কুরআন পাঠ নিষেধ: আলী (রাঃ)-এর বর্ণনা
সুনানে আন-নাসায়ী : ১০৪০
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ১০৪০
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَةَ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ قَالَ: «نَهَانِي النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنِ الْقَسِّيِّ وَالْحَرِيرِ، وَخَاتَمِ الذَّهَبِ، وَأَنْ أَقْرَأَ وَأَنَا رَاكِعٌ»، وَقَالَ مَرَّةً أُخْرَى: «وَأَنْ أَقْرَأَ رَاكِعًا»
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) আমাকে নিষেধ করেছেন, ক্বাস্সি, রেশমী কাপড় এবং সোনার আংটি পরিধান করতে, আর রুকু অবস্থায় কিরাআত করতে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ১০৪০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় রুকু অবস্থায় কুরআন পাঠ না করা। আলী (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে রুকু অবস্থায় কিরাআত করতে নিষেধ করেছেন। একই বর্ণনায় ক্বাস্সি বা বিশেষ ধরনের কাপড়, রেশমী কাপড় এবং সোনার আংটি পরার নিষেধও এসেছে। তবে সালাতের দিক থেকে মূল আলোচ্য হলো রুকুতে কুরআন না পড়া। হাদিসে রুকুর সময় কোন দোয়া পড়তে হবে বা নিষেধের কারণ কী, তা বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যাকে শুধু স্পষ্ট নিষেধের মধ্যে রাখা উচিত। রুকুতে কুরআন পড়া যাবে কি না, রুকু অবস্থায় কিরাআতের হুকুম, নামাজে কুরআন পাঠের স্থান এবং আলী (রাঃ)-এর নিষেধসংক্রান্ত হাদিস—এসব অনুসন্ধানে এটি সরাসরি প্রাসঙ্গিক। একই হাদিসে একাধিক নিষেধ থাকলেও প্রতিটি বিষয় আলাদা করে বুঝতে হবে এবং একটিকে অন্যটির সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রুকু অবস্থায় কুরআন কিরাআত করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- একই বর্ণনায় রেশম ও সোনার আংটি সম্পর্কেও নিষেধ এসেছে।
- এক হাদিসে থাকা আলাদা নিষেধগুলো আলাদাভাবে বুঝতে হবে।
- বর্ণনায় না থাকা কারণ বা বিকল্প পাঠ নিজে থেকে যোগ করা উচিত নয়।
