৫/৫০. অধ্যায়ঃ
সলাতের কাতার ঠিকঠাক করা।
কাতার সোজা না রাখার সতর্কতা: সালাতে শৃঙ্খলার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৯৯৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৯৯৪
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، أَنَّهُ سَمِعَ النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيرٍ، يَقُولُ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يُسَوِّي الصَّفَّ حَتَّى يَجْعَلَهُ مِثْلَ الرُّمْحِ أَوِ الْقِدْحِ . قَالَ فَرَأَى صَدْرَ رَجُلٍ نَاتِئًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ " سَوُّوا صُفُوفَكُمْ أَوْ لَيُخَالِفَنَّ اللَّهُ بَيْنَ وُجُوهِكُمْ " .
নু’মান বিন বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বর্শা অথবা তীরের মত সালাতের কাতার সোজা করতেন। রাবী বলেন, তিনি এক ব্যক্তির বুক একটু বাইরে অগ্রসর দেখতে পান। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, তোমরা তোমাদের কাতারগুলো সোজা করো, অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের মুখমণ্ডলে বিভেদ সৃষ্টি করে দেবেন।
[৯৯৪] বুখারী ৭১৭, মুসলিম ৪৩১-২, তিরমিযী ২২৭, নাসায়ী ৮১০, আবূ দাঊদ ৬৬২-৬৫, আহমাদ ১৭৯১৮, ১৭৯৩৩, ১৭৯৫৯, ১৭৯৭২। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবী দাউদ ৬৬৯।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৯৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সালাতের কাতার বর্শা বা তীরের মতো সোজা করতেন। একবার তিনি এক ব্যক্তির বুক একটু সামনে বের হয়ে থাকতে দেখেন। তখন তিনি বলেন, তোমরা তোমাদের কাতারগুলো সোজা করো, অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের মুখমণ্ডলে বিভেদ সৃষ্টি করে দেবেন। এখানে কাতার সোজা করার গুরুত্ব আরও জোর দিয়ে এসেছে। সালাতে কাতার শুধু শরীরের অবস্থান নয়; এটি জামাতের শৃঙ্খলা ও মিলের চিহ্ন। একজন সামনে, একজন পেছনে—এভাবে এলোমেলো দাঁড়ানো ঠিক নয়। হাদিসটি ইমাম ও মুক্তাদী সবাইকে কাতার ঠিক করার বিষয়ে সতর্ক করে। নামাজের সারি সোজা রাখা তাই হালকা বিষয় নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাতার সোজা রাখতে ইমামের নজর দেওয়া উচিত।
- সালাতে এলোমেলো দাঁড়ানো থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
- কাতারের শৃঙ্খলা জামাতের মিলের সঙ্গে যুক্ত।
