৫/১৮. অধ্যায়ঃ

রুকূ‘ থেকে মাথা তোলার সময় যা বলবে।

সম্পদের গর্ব নয়, আল্লাহর দানই আসল

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৮৭৯

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُوسَى السُّدِّيُّ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي عُمَرَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا جُحَيْفَةَ، يَقُولُ ذُكِرَتِ الْجُدُودُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَهُوَ فِي الصَّلاَةِ فَقَالَ رَجُلٌ جَدُّ فُلاَنٍ فِي الْخَيْلِ ‏.‏ وَقَالَ آخَرُ جَدُّ فُلاَنٍ فِي الإِبِلِ ‏.‏ وَقَالَ آخَرُ جَدُّ فُلاَنٍ فِي الْغَنَمِ ‏.‏ وَقَالَ آخَرُ جَدُّ فُلاَنٍ فِي الرَّقِيقِ ‏.‏ فَلَمَّا قَضَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ صَلاَتَهُ وَرَفَعَ رَأْسَهُ مِنْ آخِرِ الرَّكْعَةِ قَالَ ‏ "‏ اللَّهُمَّ رَبَّنَا لَكَ الْحَمْدُ مِلْءَ السَّمَوَاتِ وَمِلْءَ الأَرْضِ وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَىْءٍ بَعْدُ اللَّهُمَّ لاَ مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ وَلاَ مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ وَلاَ يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ ‏"‏ ‏.‏ وَطَوَّلَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ صَوْتَهُ بِالْجَدِّ لِيَعْلَمُوا أَنَّهُ لَيْسَ كَمَا يَقُولُونَ ‏.‏

আবূ জুহাইফা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সালাতরত থাকা অবস্থায় তাঁর কাছেই ধন-সম্পদ সম্পর্কে আলোচনা হচ্ছিল।এক ব্যক্তি বলেন, অমুকের অনেক ঘোড়া আছে। আরেকজন বলেন, অমুকের অনেক উট আছে। আর একজন বলেন, অমুকের অনেক বকরি আছে। অন্যজন বলেন অনেক দাস-দাসী আছে।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) শেষ রাকাতের রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে বলেনঃ “হে আল্লাহ! আমাদের প্রভু! তোমার জন্য সকল প্রশংসা, আসমান, জমীন ও এতদুভয়ের মধ্যে যা কিছু আছে এবং তুমি যা চাও সবকিছুই তোমার প্রশংসায় পূর্ণ।হে আল্লাহ! তুমি কাউকে দান করলে তাঁর কোন প্রতিরোধকারী নাই এবং তুমি কাউকে দান না করলে কেউ তাকে দান করতে পারে না। সম্পদশালীকে তাঁর সম্পদ তোমার বিপরীতে উপকৃত করতে পারে না।”রসূলুল্লাহ (ﷺ) ‘সম্পদ’ শব্দটি উচ্চৈঃস্বরে বললেন, যাতে লোকেরা বুঝতে পারে যে, তারা যা বলছে তা তেমন নয়।

তাহকীক আলবানীঃ দঈফ, কিন্তু উল্লেখিত দুআটি সহীহ, সিফাতুস সালাত ৩১৩৭।[৮৭৭] যঈফ। তাখরীজ আলবানী: যঈফ, কিন্তু উল্লেখিত দুআটি সহীহ, সিফাতুস সালাত ৩১৩৭। উক্ত হাদিসের রাবী উমার সম্পর্কে ইমামগন বলেন, তিনি অপরিচিত।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৭৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সালাতরত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে ধন-সম্পদ নিয়ে কিছু কথা হচ্ছিল। কেউ বলছিল, অমুকের অনেক ঘোড়া আছে; কেউ বলছিল, অমুকের অনেক উট, বকরি বা দাস-দাসী আছে। এরপর শেষ রাকাতের রুকু থেকে মাথা তুলে নবীজি আল্লাহর প্রশংসা করেন এবং বলেন, ‘হে আল্লাহ! তুমি কাউকে দান করলে তার কোনো প্রতিরোধকারী নেই; আর তুমি কাউকে দান না করলে কেউ তাকে দান করতে পারে না। সম্পদশালীকে তার সম্পদ তোমার বিপরীতে উপকার করতে পারে না।’ তিনি ‘সম্পদ’ শব্দটি উচ্চস্বরে বলেন, যাতে লোকেরা বুঝতে পারে তাদের আলোচনা আসল মর্যাদার মাপকাঠি নয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো সম্পদের অহংকার থেকে সতর্কতা এবং আল্লাহর দানের ওপর নির্ভরতা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • আল্লাহ কাউকে দান করলে তা ঠেকানোর ক্ষমতা কারও নেই।
  • আল্লাহ দান না করলে কেউ নিজে থেকে তা দিতে পারে না।
  • সম্পদ আল্লাহর সামনে মানুষের আসল ভরসা হতে পারে না।
  • সালাতের মাঝেও নবীজি মানুষকে সঠিক শিক্ষা দিয়েছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন