০/১০. অধ্যায়ঃ

তাকদীর (রাঃ) ভাগ্যলিপির বর্ণনা

তাকদীর সম্পর্কে কথা বলার আগে সতর্কতা

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৮৪

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ، مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى عَائِشَةَ فَذَكَرَ لَهَا شَيْئًا مِنَ الْقَدَرِ فَقَالَتْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ ‏ "‏ مَنْ تَكَلَّمَ فِي شَىْءٍ مِنَ الْقَدَرِ سُئِلَ عَنْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَنْ لَمْ يَتَكَلَّمْ فِيهِ لَمْ يُسْأَلْ عَنْهُ ‏"‏ ‏.‏قَالَ أَبُو الْحَسَنِ الْقَطَّانُ حَدَّثَنَاهُ خَازِمُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ شَيْبَانَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ، فَذَكَرَ نَحْوَهُ ‏.‏

আবদুল্লাহ বিন উবায়দুল্লাহ হতে বর্ণিতঃ

তিনি আয়িশা (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হয়ে তার সঙ্গে তাকদীর সম্পর্কে কিছু আলোচনা করেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি তাকদীর সম্পর্কে কিছু বলবে, কেয়ামতের দিন তাকে ঐ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। আর যে ব্যক্তি এ বিষয়ে কিছু বলবে না তাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেসও করা হবে না।

[৮২] নাই তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: মিশকাত ১১৪। উক্ত হাদিসের রাবী ১. ইয়াহইয়া বিন উসমান সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন এবং ইমাম বুখারী বলেন, মুনকারুল হাদীস। ইমাম নাসাঈ বলেন তিনি সিকাহ নন। আল উকাইলী বলেন তিনি দইফ বা দুর্বল। ২. ইয়াহইয়া বিন আব্দুল্লাহ বিন আবু মুলাইকাহ সম্পর্কে ইমাম যাহাবী বলেন তিনি হাদীস বর্ণনায় দুর্বল।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর একটি সতর্কবাণী বর্ণনা করেছেন। যে ব্যক্তি তাকদীর সম্পর্কে কথা বলবে, কিয়ামতের দিন তাকে সে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। আর যে এ বিষয়ে কথা বলবে না, তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হবে না। এখানে শিক্ষা হলো, তাকদীর খুব সূক্ষ্ম বিষয়। অকারণে আলোচনা, অনুমান বা তর্কে জড়িয়ে পড়া নিরাপদ নয়। মানুষ সবকিছু জানে না, তাই সীমা মেনে কথা বলা দরকার। তাকদীরের প্রতি ঈমান রাখা এক বিষয়, আর নিজের জ্ঞান দিয়ে সব ব্যাখ্যা করতে চাওয়া আরেক বিষয়। এই হাদিস আমাদের শেখায়, যেখানে নীরবতা নিরাপদ, সেখানে নীরব থাকাও দায়িত্বশীল আচরণ হতে পারে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • তাকদীর বিষয়ে অযথা কথা বলা জবাবদিহির কারণ হতে পারে।
  • সীমিত জ্ঞান নিয়ে গভীর বিষয়ে তর্ক করা উচিত নয়।
  • ঈমান রাখা জরুরি, কিন্তু সবকিছু ব্যাখ্যা করার দাবি করা জরুরি নয়।
  • প্রয়োজন না হলে সংযত থাকা নিরাপদ পথ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন