৫/১০. অধ্যায়ঃ
ইশার সলাতের কিরাআত।
রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সুমধুর কিরাআত: হৃদয়ছোঁয়া তিলাওয়াত
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৮৩৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৮৩৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، ح وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَامِرِ بْنِ زُرَارَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي زَائِدَةَ، جَمِيعًا عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ ثَابِتٍ، عَنِ الْبَرَاءِ، مِثْلَهُ . قَالَ فَمَا سَمِعْتُ إِنْسَانًا، أَحْسَنَ صَوْتًا أَوْ قِرَاءَةً مِنْهُ .
বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি আরো বলেন, আমি তাঁর চাইতে উত্তম ও সুমধুর কণ্ঠে তিলাওয়াত আর কোন মানুষের নিকট শুনিনি।
[৮৩৩] বুখারী ৭৬৭, ৭৬৯, ৪৯৫২, ৭৫৪৬; মুসলিম ৪৬১-৩, তিরমিযী ৩১০, নাসায়ী ১০০০-১, আবূ দাঊদ ১২২১, আহমাদ ১৮০৩৩, ১৮০৫৬, ১৮২০৬, ১৮২২৩, ১৮২৩৩; মুওয়াত্ত্বা মালিক ১৭৬। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কিরাআতের সৌন্দর্য সম্পর্কে আল-বারাআ (রাঃ)-এর অনুভব এসেছে। তিনি বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর চাইতে উত্তম ও সুমধুর কণ্ঠে তিলাওয়াত আর কোনো মানুষের কাছে শুনেননি। এই বর্ণনা খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু অর্থ গভীর। এখানে সালাতের কিরাআত শুধু নিয়ম হিসেবে নয়, সুন্দর তিলাওয়াতের দিক থেকেও সামনে এসেছে। তবে হাদিসে কণ্ঠ সুন্দর করার নির্দিষ্ট নিয়ম বা আলাদা শিক্ষা নেই; শুধু সাহাবীর শ্রবণ-অভিজ্ঞতা আছে। তাই “নবী صلى الله عليه وسلم-এর সুমধুর কিরাআত” বা “সুন্দর কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত” বিষয়ে এটি মূল বর্ণনা হিসেবে ব্যবহার করা যায়। ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি না করে বলা নিরাপদ যে তাঁর তিলাওয়াত সাহাবীর মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। তাই পাঠক এই হাদিস থেকে মূল আমলটি বুঝবেন, কিন্তু এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না যা বর্ণনার শব্দে নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর কিরাআত সাহাবীর কাছে অত্যন্ত সুন্দর ও মধুর বলে মনে হয়েছে।
- কুরআন তিলাওয়াত শ্রোতার মনে গভীর ছাপ ফেলতে পারে।
- হাদিসে নির্দিষ্ট কৌশল নয়, সাহাবীর অনুভূতি বর্ণিত হয়েছে।
