৩/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াযযিন যখন আযান দেয় তখন যা বলতে হবে ।
আযানের পর ওয়াসিলার দোয়া ও শাফাআতের আশা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৭২২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৭২২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَالْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ الدِّمَشْقِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَبِي الْحُسَيْنِ، قَالُوا حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَيَّاشٍ الأَلْهَانِيُّ، حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ أَبِي حَمْزَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ قَالَ حِينَ يَسْمَعُ النِّدَاءَ اللَّهُمَّ رَبَّ هَذِهِ الدَّعْوَةِ التَّامَّةِ وَالصَّلاَةِ الْقَائِمَةِ آتِ مُحَمَّدًا الْوَسِيلَةَ وَالْفَضِيلَةَ وَابْعَثْهُ مَقَامًا مَحْمُودًا الَّذِي وَعَدْتَهُ - إِلاَّ حَلَّتْ لَهُ الشَّفَاعَةُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আযান শুনে নিম্নোক্ত দোয়া পড়লে তাঁর জন্য কেয়ামতের দিন শাফাআত অবধারিত হবেঃ “হে আল্লাহ, এই পূর্ণাঙ্গ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের প্রভু! মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে দান করুন সুমহান মর্যাদা ও সম্মান এবং তাঁকে প্রশংসিত স্থানে পৌঁছান, যার প্রতিশ্রুতি আপনি তাঁকে দিয়েছেন।”
[৭২০] বুখারী ৬১৪, ৪৭১৯; তিরমিযী ২১১, নাসায়ী ৬৮০, আবূ দাঊদ ৫২৯, আহমাদ ১৪৪০৩। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়াহ ৩৪৩, সহীহ আবূ দাউদ ৫৪০।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৭২২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আযান শোনার পর নবী মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم)-এর জন্য বিশেষ দোয়া করার শিক্ষা আছে। দোয়ায় আল্লাহকে “পূর্ণ আহ্বান ও প্রতিষ্ঠিত সালাতের রব” বলে ডাকা হয়, তারপর নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর জন্য ওয়াসিলা, ফজিলত এবং মাকামে মাহমূদ চাওয়া হয়। হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি আযান শুনে এই দোয়া পড়ে, কেয়ামতের দিন তার জন্য শাফাআত অবধারিত হবে। এখানে মূল বিষয় হলো—আযানের পর শুধু নিজের জন্য দোয়া নয়, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সম্মানিত অবস্থানের জন্যও দোয়া করা। “আযানের পর দোয়া”, “ওয়াসিলার দোয়া” এবং “মাকামে মাহমূদের দোয়া” এই হাদিসের গুরুত্বপূর্ণ সার্চ টপিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযানের পর নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর জন্য ওয়াসিলা চাওয়ার শিক্ষা আছে।
- দোয়ায় সালাতের আহ্বানের মর্যাদা প্রকাশ পায়।
- হাদিসে এই দোয়ার সঙ্গে কেয়ামতের দিনের শাফাআতের ফজিলত এসেছে।
