৩/৪. অধ্যায়ঃ
মুয়াযযিন যখন আযান দেয় তখন যা বলতে হবে ।
আযান শুনে দোয়া: আল্লাহকে রব ও ইসলামকে দ্বীন মানার ঘোষণা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৭২১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৭২১
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ الْمِصْرِيُّ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ الْحُكَيْمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ عَامِرِ بْنِ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنَّهُ قَالَ " مَنْ قَالَ حِينَ يَسْمَعُ الْمُؤَذِّنَ وَأَنَا أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِالإِسْلاَمِ دِينًا وَبِمُحَمَّدٍ نَبِيًّا غُفِرَ لَهُ ذَنْبُهُ " .
সা’দ বিন আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, কোন ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আজান শোনার পর নিম্নোক্ত দোয়া পড়লে তার গুনাহ ক্ষমা করা হবেঃ “আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোন শরীক নেই। আমি আরও সাক্ষ্য দেই যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল। আমি আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে নবী হিসাবে পেয়ে সন্তুষ্ট”।
[৭১৯] মুসলিম ৩৮৬, তিরমিযী ২১০, নাসায়ী ৬৭৯, আবূ দাঊদ ৫২৫, আহমাদ ১৫৬৮। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবূ দাউদ ৫৩৭।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৭২১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আযান শোনার পর একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া শেখানো হয়েছে। দোয়ার কথাগুলোতে বান্দা সাক্ষ্য দেয় যে আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো শরীক নেই; আর মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। এরপর সে বলে যে সে আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মাদ (صلى الله عليه وسلم)-কে নবী হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট। হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি মুয়াজ্জিনের আযান শুনে এই দোয়া পড়ে, তার গুনাহ ক্ষমা করা হয়। তাই এই আমল শুধু মুখের কথা নয়; এটি ঈমানের মূল কথাগুলোকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়। “আযানের দোয়া” ও “আযান শুনে গুনাহ মাফের দোয়া” এই হাদিসের প্রধান বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযানের পর তাওহীদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য স্মরণ করা সুন্দর আমল।
- আল্লাহকে রব, ইসলামকে দ্বীন এবং নবীকে রাসূল হিসেবে মানার কথা মুখে বলা ঈমানকে সতেজ করে।
- হাদিসে এই দোয়ার সঙ্গে গুনাহ মাফের ফজিলত এসেছে।
