৩/৩. অধ্যায়ঃ
আযানের সুন্নাত।
ফজরের তাসবীব: ইশা নয়, ফজরের আযানে বিশেষ বাক্য
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৭১৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৭১৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الأَسَدِيُّ، عَنْ أَبِي إِسْرَائِيلَ، عَنِ الْحَكَمِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ بِلاَلٍ، قَالَ أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ أُثَوِّبَ فِي الْفَجْرِ وَنَهَانِي أَنْ أُثَوِّبَ فِي الْعِشَاءِ .
বিলাল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে ফজরের সালাতে তাসবীব করার নির্দেশ দেন এবং ইশার সালাতে তাসবীব করতে নিষেধ করেন।
[৭১৩] তিরমিযী ১৯৮, আহমাদ ২৩৩৯৫। তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়া ২৩৫ যঈফ, মিশকাত ৬৪৬। উক্ত হাদিসের রাবী আবু ইসরাইল সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অনেক সন্দেহ করেন। ইয়াকুব বিন সুফইয়ান তাকে সিকাহ বললেও ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাকে দুর্বল বলেছেন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৭১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বিলাল (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে ফজরের সালাতে তাসবীব করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং ইশার সালাতে তাসবীব করতে নিষেধ করেছেন। তাসবীব বলতে এই বর্ণনার আলোকে ফজরের আযানে বিশেষভাবে সালাতের দিকে জাগানোর বাক্যের কথা বোঝানো হয়। হাদিসটি ফজরের আযানের একটি আলাদা বৈশিষ্ট্য দেখায়। ফজর এমন সময়, যখন মানুষ ঘুমে থাকে; তাই সেখানে বিশেষ ডাকের শিক্ষা এসেছে। আর ইশার ক্ষেত্রে তা করতে নিষেধ করা হয়েছে। এই হাদিস আমাদের শেখায়, আযানের পদ্ধতিতে সময়ভেদে নির্দেশ থাকতে পারে এবং সেই নির্দেশ যেমন এসেছে, তেমনভাবে মানাই উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফজরের আযানে তাসবীবের নির্দেশ এসেছে।
- ইশার আযানে তাসবীব করতে নিষেধ করা হয়েছে।
- আযানের বাক্য ও পদ্ধতি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ অনুযায়ী হওয়া উচিত।
- ফজরের সময় মানুষকে সালাতের দিকে জাগানোর বিশেষ গুরুত্ব আছে।
