৩/৩. অধ্যায়ঃ
আযানের সুন্নাত।
আযানের বিনিময় না নেওয়া: মুয়ায্জিন নিয়োগে সতর্কতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৭১৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৭১৪
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنْ أَشْعَثَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ، قَالَ كَانَ آخِرُ مَا عَهِدَ إِلَىَّ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ لاَ أَتَّخِذَ مُؤَذِّنًا يَأْخُذُ عَلَى الأَذَانِ أَجْرًا .
উসমান বিন আবূল আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (ﷺ) আমার থেকে সর্বশেষ যে অঙ্গীকার গ্রহণ করেছেন তা হলোঃ আমি যেন বেতনভুক্ত মুয়ায্যিন নিয়োগ না করি।
[৭১২] তিরমিযী ২০৯, নাসায়ী ৬৭২, আবূ দাঊদ ৫৩১, আহমাদ ১৫৮৩৬, ১৭৪৪৮। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: ইরওয়াহ ৩১৬, সহীহ আবূ দাউদ ৫৪১।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৭১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উসমান ইবনু আবিল আস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁর কাছ থেকে সর্বশেষ যে অঙ্গীকার নিয়েছেন, তা হলো তিনি যেন এমন মুয়ায্জিন নিয়োগ না করেন, যে আযানের বিনিময়ে মজুরি নেয়। হাদিসটি আযানের কাজের নিয়ত ও মর্যাদা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। আযান আল্লাহর বড়ত্ব, তাওহীদ ও সালাতের ডাক। তাই এই কাজকে শুধু আয়-রোজগারের বিষয় বানানো ঠিক নয়—এই সতর্কতা বর্ণনায় এসেছে। তবে হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, আমরা ততটুকুই বলি: নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁকে এমন মুয়ায্জিন না নিতে বলেছেন, যে আযানের জন্য পারিশ্রমিক নেয়। এতে ইবাদতের কাজে আন্তরিকতা ও আমানতের গুরুত্ব বোঝা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযান ইবাদতের সঙ্গে যুক্ত একটি সম্মানজনক কাজ।
- আযানের বিনিময় নেওয়া বিষয়ে হাদিসে সতর্কতা এসেছে।
- মুয়ায্জিন নিয়োগে নিয়ত ও আমানতের দিক দেখা দরকার।
- ইবাদতের কাজে আন্তরিকতা রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
