২/৪. অধ্যায়ঃ
প্রচণ্ড গরমের মৌসুমে যোহরের সালাত ঠাণ্ডা করে পড়া
যোহরের সালাত ঠান্ডা করে পড়া: তীব্র গরমে নববী নির্দেশনা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৬৮০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৬৮০
حَدَّثَنَا تَمِيمُ بْنُ الْمُنْتَصِرِ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ بَيَانٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ، قَالَ كُنَّا نُصَلِّي مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ صَلاَةَ الظُّهْرِ بِالْهَاجِرَةِ فَقَالَ لَنَا " أَبْرِدُوا بِالصَّلاَةِ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ " .
মুগীরাহ বিন শুবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে যোহরের সালাত দুপুরের (প্রথমভাগে) পড়তাম। তিনি আমাদের বলেন, তোমরা ঠান্ডা করে সালাত পড়ো। কেননা গরমের তীব্রতা জাহান্নামের নিঃশ্বাস থেকে।
[৬৭৮] সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬৮০-এর সারসংক্ষেপ
কোর টপিক: যোহর সালাত। এই হাদিসে মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) জানান, তাঁরা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সাথে দুপুরের প্রথমভাগে যোহরের সালাত পড়তেন। তখন তিনি তাঁদের বললেন, তোমরা সালাত ঠান্ডা করে পড়ো। কারণ গরমের তীব্রতা জাহান্নামের নিঃশ্বাস থেকে। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো, যোহরের সালাতের সময় তীব্র গরম হলে একটু ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার নির্দেশ এসেছে। এখানে সালাতের সময়ের গুরুত্বও আছে, আবার মানুষের কষ্ট কমানোর দিকটিও দেখা যায়। “যোহরের সালাত ঠান্ডা করে পড়া”, “তীব্র গরমে যোহরের নামাজ” এবং “গরমে সালাতের সময়” বিষয়গুলো এই বর্ণনার মূল আলোচ্য। হাদিসের ভাষা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আবহাওয়ার কষ্টও আখিরাতের কথা স্মরণ করাতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তীব্র গরমে যোহরের সালাত কিছুটা ঠান্ডা হলে পড়ার নির্দেশ এসেছে।
- সালাত আদায়ে সময়ের পাশাপাশি মানুষের কষ্টের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
- গরমের তীব্রতা মুমিনকে জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
