১/১৩৭. অধ্যায়ঃ
অপরের লজ্জাস্থানের দিকে তাকানো নিষেধ
ঘরোয়া জীবনেও শালীনতা: আয়িশা (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৬৬২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৬৬২
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ مَوْلًى، لِعَائِشَةَ عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ مَا نَظَرْتُ - أَوْ مَا رَأَيْتُ - فَرْجَ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَطُّ . قَالَ أَبُو بَكْرٍ كَانَ أَبُو نُعَيْمٍ يَقُولُ عَنْ مَوْلاَةٍ لِعَائِشَةَ .
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি কখনো রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর লজ্জাস্থানের দিকে তাকাইনি বা দেখিনি।
[৬৬০] আহমাদ ২৩৮২৩, ইবনু মাজাহ ১৯২২। তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তিনি কখনো রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর লজ্জাস্থানের দিকে তাকাননি বা দেখেননি। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। এখানে স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবনের কোনো বাড়তি আলোচনা নেই; শুধু শালীনতা ও সংযমের একটি দিক তুলে ধরা হয়েছে। হাদিসটি দেখায়, ঘরোয়া সম্পর্কেও আদব, লজ্জাবোধ ও সম্মান বজায় ছিল। লজ্জাস্থান দেখা নিষেধ বিষয়টির সাথে এই বর্ণনা সরাসরি সম্পর্কিত, কারণ এতে নিজের দৃষ্টি সংযত রাখার বাস্তব উদাহরণ দেখা যায়। সহজ ভাষায়, ইসলাম শুধু বাহিরের আচরণ নয়, ঘরের ভেতরের আদবও সুন্দর হতে শেখায়। তাই এই হাদিস শালীনতা, দৃষ্টি সংযম এবং ব্যক্তিগত সম্মানের একটি কোমল শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘরোয়া জীবনেও শালীনতা ও আদব বজায় রাখা প্রশংসনীয়।
- দৃষ্টি সংযম ব্যক্তিগত সম্পর্কের মধ্যেও গুরুত্বপূর্ণ।
- আয়িশা (রাঃ)-এর বর্ণনা নবী صلى الله عليه وسلم-এর ঘরোয়া আদবের একটি দিক দেখায়।
