১/১৩১. অধ্যায়ঃ
হায়িদের কাপড় পরে সলাত পড়া
হায়েজগ্রস্ত স্ত্রীর চাদর স্পর্শ করে সালাতের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৬৫৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৬৫৩
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ أَبِي سَهْلٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، حَدَّثَنَا الشَّيْبَانِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ، عَنْ مَيْمُونَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ صَلَّى وَعَلَيْهِ مِرْطٌ عَلَيْهِ بَعْضُهُ وَعَلَيْهَا بَعْضُهُ وَهِيَ حَائِضٌ .
মায়মূনা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একটি চাদর পরিহিত অবস্থায় সালাত পড়লেন, যার কতকাংশ আমার দেহে এবং কতকাংশ তাঁর দেহে ছিল। তখন আমি হায়েযগ্রস্ত ছিলাম।
[৬৫১] আবূ দাঊদ ৩৬৯, আহমাদ ২৬২৬৪। তাহকবীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবূ দাউদ ৪৯৩, ৬৯৩।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মায়মূনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم একটি চাদর পরিহিত অবস্থায় সালাত পড়লেন। সেই চাদরের এক অংশ তাঁর দেহে ছিল এবং আরেক অংশ মায়মূনা (রাঃ)-এর দেহে ছিল, আর তিনি তখন হায়েজগ্রস্ত ছিলেন। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, হায়েজগ্রস্ত নারীর শরীর বা তার কাপড়ের সংস্পর্শকে নিজে নিজে সালাতের বাধা হিসেবে দেখানো হয়নি। হাদিসের কেন্দ্রীয় শিক্ষা হলো, হায়েজের বিধান আছে, কিন্তু ঋতুবতী নারীকে অপমান বা অযথা দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়। সালাত, পবিত্রতা এবং স্ত্রীর সাথে স্বাভাবিক আচরণ—এই তিনটি বিষয় এখানে সুন্দরভাবে উঠে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়েজগ্রস্ত নারীর কাপড়ের ছোঁয়া নিয়ে অযথা কঠোরতা করা ঠিক নয়।
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর আচরণে পারিবারিক সহজতা দেখা যায়।
- হায়েজের বিধান মানা দরকার, কিন্তু নারীকে অপবিত্র বস্তু মনে করা যাবে না।
- সালাতের সময়ও পবিত্রতার বিষয় বাস্তবভাবে বোঝা দরকার।
