১/১২১. অধ্যায়ঃ
হায়িদগ্রস্ত নারীর থেকে তার স্বামী সেবা গ্রহণ করতে পারে
ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে আলিঙ্গন: ইযার বাঁধার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৬৩৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৬৩৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كَانَتْ إِحْدَانَا إِذَا حَاضَتْ أَمَرَهَا النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ تَأْتَزِرَ بِإِزَارٍ ثُمَّ يُبَاشِرُهَا .
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমাদের কেউ হায়েযগ্রস্ত হলে নবী (ﷺ) তাকে তার (লজ্জাস্থানে) পায়জামা শক্তভাবে বাঁধার নির্দেশ দিতেন, অতঃপর তাকে আলিঙ্গন করতেন।
[৬৩৩] বুখারী ৩০১-২, মুসলিম ২৯১-২, নাসায়ী ২৮৫-৮৬, ৩৭৩-৭৫; আবূ দাঊদ ২৬৮, ২৭৩; আহমাদ ২৪৩৯৪, ২৪৫০০, ২৪৫৮০, ২৪৮৮২, ২৪৯৬৫, ২৫০৩৫, ২৫১৫৪, ২৫২২২, ২৫৪৪৯; মুওয়াত্ত্বা মালিক ১২৭-২৮, ৭৯৫; দারিমী ১০৩৩, ১০৩৭, ১০৪৭; ইবনু মাজাহ ৬৩৫। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবূ দাউদ ২৬০।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬৩৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তাঁদের কেউ হায়েজগ্রস্ত হলে নবী (صلى الله عليه وسلم) তাকে ইযার বা পাজামা শক্তভাবে বাঁধার নির্দেশ দিতেন, এরপর তাকে আলিঙ্গন করতেন। এই বর্ণনায় হায়েজ অবস্থায় স্বামী-স্ত্রীর আচরণের একটি সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট দিক এসেছে। হাদিসটি দেখায়, হায়েজ মানে স্ত্রীকে পুরোপুরি দূরে সরিয়ে রাখা নয়। তবে লজ্জাস্থান ঢেকে সীমা রক্ষা করার নির্দেশ রয়েছে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, হায়েজ অবস্থায় স্বাভাবিক স্নেহ ও ঘনিষ্ঠতা থাকতে পারে, কিন্তু তা সীমার মধ্যে হতে হবে। এতে পারিবারিক কোমলতা ও শরিয়তের সতর্কতা দুটোই আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়েজ অবস্থায় ইযার বা কাপড় বাঁধার নির্দেশ এসেছে।
- সীমা রক্ষা করে আলিঙ্গনের কথা বর্ণিত হয়েছে।
- ঋতুবতী স্ত্রীকে অযথা দূরে সরিয়ে রাখা ঠিক নয়।
- দাম্পত্য আচরণে পবিত্রতা ও সংযম দুটোই জরুরি।
