০/৯. অধ্যায়ঃ

ঈমানের বিবরণ

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৬৩

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ كَهْمَسِ بْنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ يَعْمَرَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ، قَالَ كُنَّا جُلُوسًا عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَجَاءَ رَجُلٌ شَدِيدُ بَيَاضِ الثِّيَابِ شَدِيدُ سَوَادِ شَعَرِ الرَّأْسِ لاَ يُرَى عَلَيْهِ أَثَرُ السَّفَرِ وَلاَ يَعْرِفُهُ مِنَّا أَحَدٌ ‏.‏ قَالَ فَجَلَسَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَأَسْنَدَ رُكْبَتَهُ إِلَى رُكْبَتِهِ وَوَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى فَخِذَيْهِ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ يَا مُحَمَّدُ مَا الإِسْلاَمُ قَالَ ‏"‏ شَهَادَةُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ وَإِقَامُ الصَّلاَةِ وَإِيتَاءُ الزَّكَاةِ وَصَوْمُ رَمَضَانَ وَحَجُّ الْبَيْتِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ صَدَقْتَ ‏.‏ فَعَجِبْنَا مِنْهُ يَسْأَلُهُ وَيُصَدِّقُهُ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ يَا مُحَمَّدُ مَا الإِيمَانُ قَالَ ‏"‏ أَنْ تُؤْمِنَ بِاللَّهِ وَمَلاَئِكَتِهِ وَرُسُلِهِ وَكُتُبِهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ وَالْقَدَرِ خَيْرِهِ وَشَرِّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ صَدَقْتَ ‏.‏ فَعَجِبْنَا مِنْهُ يَسْأَلُهُ وَيُصَدِّقُهُ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ يَا مُحَمَّدُ مَا الإِحْسَانُ قَالَ ‏"‏ أَنْ تَعْبُدَ اللَّهَ كَأَنَّكَ تَرَاهُ فَإِنَّكَ إِنْ لاَ تَرَاهُ فَإِنَّهُ يَرَاكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَمَتَى السَّاعَةُ قَالَ ‏"‏ مَا الْمَسْئُولُ عَنْهَا بِأَعْلَمَ مِنَ السَّائِلِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَمَا أَمَارَتُهَا قَالَ ‏"‏ أَنْ تَلِدَ الأَمَةُ رَبَّتَهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَكِيعٌ يَعْنِي تَلِدُ الْعَجَمُ الْعَرَبَ ‏"‏ وَأَنْ تَرَى الْحُفَاةَ الْعُرَاةَ الْعَالَةَ رِعَاءَ الشَّاءِ يَتَطَاوَلُونَ فِي الْبِنَاءِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ قَالَ فَلَقِيَنِي النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بَعْدَ ثَلاَثٍ فَقَالَ ‏"‏ أَتَدْرِي مَنِ الرَّجُلُ ‏"‏ ‏.‏ قُلْتُ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ ذَاكَ جِبْرِيلُ أَتَاكُمْ يُعَلِّمُكُمْ مَعَالِمَ دِينِكُمْ ‏"‏ ‏

উমার (ইবনুল খাত্তাব) (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা নবী (ﷺ)-এর কাছে উপবিষ্ট থাকা অবস্থায় ধবধবে সাদা পোশাক পরিহিত ও মাথায় গাঢ় কালো চুলবিশিষ্ট এক ব্যক্তি এসে হাজির হন। তার চেহারায় সফরের কোনও ছাপ দেখা যাচ্ছিল না এবং আমাদের কেউই তাকে চিনতো না। রাবি বলেন, তিনি নবী (ﷺ)-এর সামনে বসলেন, তার হাঁটুদ্বয় মহানবী (ﷺ)-এর হাঁটুদ্বয়ের সাথে লাগিয়ে এবং তার দুই হাত তাঁর দুই উরুর উপর রেখে, তারপর জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ইসলাম কী? তিনি বলেন, “এই সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, আমি আল্লাহর রাসূল, সালাত আদায় করা, যাকাত দেয়া, রমজানের সাওম পালন করা এবং আল্লাহর ঘরের হজ্জ করা।” তিনি (আগন্তুক) বলেন, আপনি সত্য কথা বলেছেন। আমরা তার এ কথায় অবাক হলাম যে, তিনিই জিজ্ঞেস করলেন এবং তিনিই তা সত্যায়ন করলেন।অতঃপর তিনি জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ঈমান কী? তিনি বলেন, “তুমি ঈমান আনবে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাদের উপর, তাঁর রাসূলগণের উপর, তাঁর কিতাবসমূহে, পরকালের দিনে এবং তাকদীরে ও তার ভালো-মন্দে।” আগন্তুক বলেন, আপনি সত্য কথা বলেছেন। আমরা এবারও তার কথায় অবাক হলাম যে, তিনিই প্রশ্ন করছেন এবং তিনিই তা সত্যায়ন করছেন।তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, হে মুহাম্মাদ! ইহসান কী? তিনি বলেন, “তুমি এমনভাবে আল্লাহর ইবাদত করো যেন তুমি তাঁকে দেখছো, যদি তুমি তাঁকে না দেখো নিশ্চয় তিনি তোমাকে দেখছেন।” তিনি বলেন, মুহূর্তটি (কেয়ামত) কখন আসবে? তিনি বলেন, “এ সম্পর্কে উত্তরদাতা প্রশ্নকারীর চেয়ে অধিক কিছু জানে না।” তিনি বলেন, তাহলে এর আলামত কী? তিনি বলেন:(১) “ক্রীতদাসী তার মনিবাকে প্রসব করবে।”(২) ওয়াকী (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ অনারবদের ঔরসে আরবরা জন্মগ্রহণ করবে।(৩) তুমি দেখতে পাবে নগ্নদেহ, নগ্নপদ ও অভাবগ্রস্ত মেষচারকরা সুউচ্চ ইমারতের মালিক হয়ে অহংকারে ফেটে পড়বে।উমর (রাঃ) বলেন, এ ঘটনার তিন দিন পর নবী (ﷺ) আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বলেন, “লোকটি কে, তুমি কি তা জানো?” আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বলেন, “ইনি হলেন জিবরীল (আঃ), দ্বীনের বিষয়াদি শিক্ষা দেয়ার জন্য তোমাদের নিকট এসেছেন।”

[৬৩] মুসলিম ৮, তিরমিযী ২৬১০, নাসায়ী ৪৯৯০, ৪৬৯৫; আহমাদ ১৮৫, ৩৬৯, ৩৭৬। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: ফিলাল ১২০-১২৭ ইরওয়াহ ৩৩-৩৪।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন