০/৭. অধ্যায়ঃ
বিদ‘আত ও ঝগড়াঝাটি হতে বেঁচে থাকা
বিদআত পরিহার: নেক আমল কবুলের পথে সতর্কতা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৫০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৫০
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مَنْصُورٍ الْخَيَّاطُ، عَنْ أَبِي زَيْدٍ، عَنْ أَبِي الْمُغِيرَةِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " أَبَى اللَّهُ أَنْ يَقْبَلَ عَمَلَ صَاحِبِ بِدْعَةٍ حَتَّى يَدَعَ بِدْعَتَهُ " .
আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বিদআতী ব্যক্তির নেক আমল কবুল করবেন না, যতক্ষণ না সে তার বিদআত পরিহার করে।
[৫০] যঈফ। তাখরীজ আলবানী: জামি সগীর ২৯ যঈফ, যঈফা ১৪৯২ মুনকার, জিলালি জান্নাত ৩৮ যঈফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. আবু যায়দ সম্পর্কে আবু যুররাহ আর-রাবী বলেন, আমি তাঁকে চিনি না। ইমাম যাহাবী বলেন তিনি মাজহুল। ২. আবুল মুগীরাহ সম্পর্কে আবু যুররাহ আর-রাবী বলেন, আমি তাঁকে চিনি না। ইমাম যাহাবী বলেন তাকে কেউ চিনে না।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বিদআতী ব্যক্তির আমল কবুল করবেন না, যতক্ষণ না সে তার বিদআত ছেড়ে দেয়। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শিক্ষা গভীর। এখানে বোঝানো হয়েছে, শুধু বেশি আমল করলেই যথেষ্ট নয়; আমলটি রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর দেখানো পথে হওয়া দরকার। দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু যোগ করে সেটাকে ইবাদত মনে করা বিপজ্জনক। তাই সুন্নাহ অনুসরণ, সহিহ আমল এবং বিদআত পরিহার মুসলিম জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। এই হাদিস মানুষকে হতাশ করার জন্য নয়, বরং ভুল পথ থেকে ফিরে আসার জন্য সতর্ক করে। কেউ যদি বুঝতে পারে যে কোনো কাজ সুন্নাহসম্মত নয়, তাহলে তা ছেড়ে দেওয়াই নিরাপদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আমল কবুলের জন্য সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করা জরুরি।
- ভুল বুঝলে বিদআতী কাজ ছেড়ে ফিরে আসা উচিত।
- ইবাদতে নিজের পক্ষ থেকে নতুন পদ্ধতি যোগ করা থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
- কম আমল হলেও সহিহ পথে করা বেশি নিরাপদ।
