৩৭/৩৯. অধ্যায়ঃ
জান্নাতের বর্ণনা
কাওসার ঝরণা: জান্নাতের মিষ্টি ও শুভ্র পানির বর্ণনা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪৩৩৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪৩৩৪
حَدَّثَنَا وَاصِلُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، وَعَلِيُّ بْنُ الْمُنْذِرِ، قَالُوا حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ السَّائِبِ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " الْكَوْثَرُ نَهَرٌ فِي الْجَنَّةِ حَافَتَاهُ مِنْ ذَهَبٍ مَجْرَاهُ عَلَى الْيَاقُوتِ وَالدُّرِّ تُرْبَتُهُ أَطْيَبُ مِنَ الْمِسْكِ وَمَاؤُهُ أَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ وَأَشَدُّ بَيَاضًا مِنَ الثَّلْجِ " .
ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কাওসার হলো জান্নাতের একটি ঝরণা। এর উভয় তীর স্বর্ণপাতে মোড়ানো। এর পানি প্রবাহিত হবে নীলকান্ত মণি ও মুক্তার উপর দিয়ে। তার মাটি কস্তুরীর চেয়েও সুগন্ধযুক্ত, পানি মধুর চেয়েও সুমিষ্ট এবং বরফের চেয়েও অধিক সাদা।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।[৩৬৬৬] তিরমিজি ৩৩৬১। মিশকাত ৫৬৪১।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪৩৩৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কাওসারের বর্ণনা দিয়েছেন। কাওসার জান্নাতের একটি ঝরণা। এর দুই তীর স্বর্ণে মোড়ানো। তার পানি নীলকান্ত মণি ও মুক্তার উপর দিয়ে প্রবাহিত হবে। তার মাটি কস্তুরীর চেয়েও বেশি সুগন্ধযুক্ত, পানি মধুর চেয়েও সুমিষ্ট এবং বরফের চেয়েও বেশি সাদা। এই বর্ণনা জান্নাতের কাওসার ঝরণার সৌন্দর্য ও নিয়ামতকে হৃদয়ের কাছে নিয়ে আসে। এটি মুমিনের আশা বাড়ায় এবং আখিরাতের পুরস্কারের কথা মনে করায়। হাদিসের শিক্ষা হলো, জান্নাতের নিয়ামত দুনিয়ার পরিচিত জিনিসের উদাহরণে বোঝানো হলেও তার আসল সৌন্দর্য আল্লাহই ভালো জানেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কাওসার জান্নাতের বিশেষ ঝরণা হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
- জান্নাতের নিয়ামত সৌন্দর্য, সুগন্ধ ও মাধুর্যে ভরা।
- আখিরাতের পুরস্কারের আশা মুমিনকে সৎ আমলে উৎসাহ দেয়।
- জান্নাতের আসল সৌন্দর্য আল্লাহর দান ও অনুগ্রহ।
