৩৭/৩৯. অধ্যায়ঃ
জান্নাতের বর্ণনা
জান্নাতের এক বিঘত জায়গা: দুনিয়ার সব কিছুর চেয়ে উত্তম
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪৩২৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪৩২৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " لَشِبْرٌ فِي الْجَنَّةِ خَيْرٌ مِنَ الأَرْضِ وَمَا عَلَيْهَا - الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন: জান্নাতের এক বিঘত পরিমাণ স্থান সমগ্র পৃথিবী ও তার মধ্যকার সব কিছু থেকে উত্তম।
তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।[৩৬৬১] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। দঈফাহ ৪৩০৮, দঈফ আল-জামি ৪৬৭৮।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪৩২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) জান্নাতের মূল্য বোঝাতে খুব ছোট একটি উদাহরণ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জান্নাতের এক বিঘত জায়গা পুরো পৃথিবী ও তার মধ্যে থাকা সব কিছুর চেয়ে উত্তম। দুনিয়ায় মানুষ জায়গা, সম্পদ, ঘর, সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য অনেক চেষ্টা করে। কিন্তু জান্নাতের খুব অল্প জায়গাও দুনিয়ার সব কিছুর চেয়ে বেশি মূল্যবান। হাদিসটি দুনিয়াকে ঘৃণা করতে বলছে না; বরং দুনিয়াকে আখিরাতের চেয়ে বড় মনে না করার শিক্ষা দিচ্ছে। জান্নাতের মর্যাদা বোঝা গেলে মানুষ সৎ আমল, ধৈর্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে চলতে আগ্রহী হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জান্নাতের অল্প নিয়ামতও দুনিয়ার সব কিছুর চেয়ে উত্তম।
- দুনিয়ার সম্পদকে আখিরাতের চেয়ে বড় মনে করা উচিত নয়।
- জান্নাতের আশা মানুষকে সৎ আমলে আগ্রহী করে।
- আখিরাতের মূল্য বুঝলে দুনিয়ার মোহ কমে।
