৩৭/৩০. অধ্যায়ঃ
তওবা সম্পর্কে আলোচনা
প্রত্যেক আদম সন্তান ভুল করে: উত্তম পথ হলো তওবা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪২৫১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪২৫১
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مَسْعَدَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ : " كُلُّ بَنِي آدَمَ خَطَّاءٌ وَخَيْرُ الْخَطَّائِينَ التَّوَّابُونَ " .
আনাস (রাঃ) , হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ প্রত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার। আর গুনাহগারদের মধ্যে তওবাকারীগণ উত্তম।
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।[৩৫৮৩] তিরমিযী ২৪৯৯, আহ্মদ ১২৬৩৭। তাখরীযুল মিশকাত ২৩৪১০।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪২৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিস মানুষের বাস্তব অবস্থাকে সামনে আনে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, প্রত্যেক আদম সন্তানই গুনাহগার। এরপর তিনি বলেছেন, গুনাহগারদের মধ্যে তওবাকারীগণ উত্তম। এখানে মানুষকে হতাশ করা হয়নি; বরং নিজের ভুল চিনে আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার পথ দেখানো হয়েছে। মানুষ ভুল করবে—এটি মানবজীবনের বাস্তবতা। কিন্তু ভুলের উপর পড়ে থাকা মুমিনের পথ নয়। তওবা মানে ভুল স্বীকার করা, আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া এবং নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করা। এই হাদিস তওবা, আত্মসংশোধন, গুনাহ থেকে ফেরা এবং আল্লাহর ক্ষমার আশা শেখায়। যারা মনে করেন ভুলের পর আর ভালো হওয়া সম্ভব নয়, তাদের জন্য এই হাদিস বড় সান্ত্বনা ও দিকনির্দেশনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মানুষের ভুল হওয়া বাস্তব, তবে তা নিয়ে পড়ে থাকা ঠিক নয়।
- গুনাহের পর তওবা করা উত্তম পথ।
- নিজেকে বদলানোর চেষ্টা তওবার অংশ।
