৩৭/২৪. অধ্যায়ঃ
আল্লাহভীতি ও ধার্মিকতা।
তাকওয়া: মহত্ত্ব ও মহানুভবতার আসল মানদণ্ড
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪২১৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪২১৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفٍ الْعَسْقَلاَنِيُّ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا سَلاَّمُ بْنُ أَبِي مُطِيعٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدَبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " الْحَسَبُ الْمَالُ وَالْكَرَمُ التَّقْوَى " .
সামুরাহ বিন জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আভিজাত্য হলো সম্পদ এবং মহত্ত্ব ও মহানুভবতাই তাকওয়া।
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।[৩৫৫১] তিরমিযী ৩২৭১, ইরওয়া' ১৮৭০।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪২১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সংক্ষিপ্ত ভাষায় মর্যাদার একটি মানদণ্ড দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আভিজাত্য হলো সম্পদ এবং মহত্ত্ব ও মহানুভবতাই তাকওয়া। এই কথায় মানুষকে বাহ্যিক মর্যাদা ও অন্তরের আসল মর্যাদার পার্থক্য বোঝানো হয়েছে। সমাজে সম্পদ মানুষকে পরিচিতি বা প্রভাব দিতে পারে, কিন্তু আল্লাহভীরুতা মানুষকে সত্যিকার মহত্ত্বের পথে নিয়ে যায়। তাই কোর টপিক হলো তাকওয়া। সম্পদ থাকলে তা দায়িত্বের বিষয়, অহংকারের কারণ নয়। আর তাকওয়া থাকলে মানুষের আচরণে আল্লাহর ভয়, সংযম ও ভালো চরিত্র প্রকাশ পায়। এই হাদিস আমাদের শেখায়, সম্মানের আসল মাপকাঠি শুধু ধন নয়; আল্লাহভীরু চরিত্র।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সম্পদ সামাজিক পরিচিতি দিতে পারে, কিন্তু তা একা মহত্ত্ব নয়।
- তাকওয়া মানুষের আসল মর্যাদা ও মহানুভবতার পরিচয়।
- ধন-সম্পদকে অহংকার নয়, দায়িত্ব হিসেবে দেখা উচিত।
