৩৭/১৪. অধ্যায়ঃ
তাওয়াক্কুল (আল্লাহ ভরসা) ও ইয়াকীন (দৃঢ় প্রত্যয়)
রিজিক নিয়ে নিরাশ নয়: জন্ম থেকেই আল্লাহ বান্দাকে রিজিক দেন
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪১৬৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪১৬৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَلاَّمِ بْنِ شُرَحْبِيلَ أَبِي شُرَحْبِيلَ، عَنْ حَبَّةَ، وَسَوَاءٍ، ابْنَىْ خَالِدٍ قَالاَ دَخَلْنَا عَلَى النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَهُوَ يُعَالِجُ شَيْئًا فَأَعَنَّاهُ عَلَيْهِ فَقَالَ " لاَ تَيْأَسَا مِنَ الرِّزْقِ مَا تَهَزَّزَتْ رُءُوسُكُمَا فَإِنَّ الإِنْسَانَ تَلِدُهُ أُمُّهُ أَحْمَرَ لَيْسَ عَلَيْهِ قِشْرٌ ثُمَّ يَرْزُقُهُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ " .
খালিদের পুত্রদ্বয় হাব্বাহ ও সাওয়া’ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা নবী (ﷺ)-এর নিকট প্রবেশ করলাম। তখন তিনি কিছু মেরামত করছিলেন। আমরা তাঁকে তাতে সহায়তা করলাম। তিনি বললেন: যতক্ষণ তোমাদের মাথা সুস্থ থাকবে (তোমরা জীবিত থাকবে), তোমরা রিযিকের ব্যাপারে নিরাশ হয়ো না। মানুষকে তো তার মা লাল এবং তার গায়ে কোনো চামড়া ছাড়াই প্রসব করে, সেই অবস্থায়ও মহান আল্লাহ তাকে রিযিক দান করেন।
তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।[৩৪৯৭] আহমাদ ১৫৪২৮।দঈফাহ ৪৭৯৮, দঈফ আল-জামি’ ৬২৮১।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৬৫-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: রিজিক। এই হাদিসে সাহাবীরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে প্রবেশ করেন, তখন তিনি কিছু মেরামত করছিলেন। তারা তাঁকে সাহায্য করেন। এরপর তিনি বলেন, যতক্ষণ তোমরা জীবিত আছ, রিজিকের ব্যাপারে নিরাশ হয়ো না। মানুষকে তার মা এমন অবস্থায় জন্ম দেয়, যখন তার শরীরে কোনো আবরণ থাকে না, তবু আল্লাহ তাকে রিজিক দেন। এই কথায় রিজিক নিয়ে গভীর আশার শিক্ষা আছে। মানুষ অনেক সময় ভবিষ্যৎ ভেবে ভয় পায়, কিন্তু হাদিসটি মনে করায়, জীবনের শুরু থেকেই মানুষ আল্লাহর দানে বেঁচে থাকে। তাই মুমিন চেষ্টা করবে, কাজ করবে, কিন্তু রিজিক নিয়ে হতাশা ও ভেঙে পড়া থেকে নিজেকে বাঁচাবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জীবিত থাকা পর্যন্ত রিজিক নিয়ে নিরাশ না হওয়ার শিক্ষা আছে।
- মানুষ জন্মের সময় অসহায়, তবুও আল্লাহ তাকে রিজিক দেন।
- কাজ ও চেষ্টা করার পাশাপাশি আল্লাহর দানের উপর আশা রাখা উচিত।
