৩৭/৮. অধ্যায়ঃ
সম্পদশালীদের সম্পর্কে
প্রাচুর্যের মালিক ও দান: সম্পদের সঠিক ব্যবহার
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪১৩১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪১৩১
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " الأَكْثَرُونَ هُمُ الأَسْفَلُونَ إِلاَّ مَنْ قَالَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا " . ثَلاَثًا .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: বিপুল প্রাচুর্যের মালিকরা হলো নীচু স্তরের লোক। তবে যারা বলেছেন, এই দিকে ও এই দিকে ও এই দিকে বিলিয়ে দাও তারা ব্যতীত। তিনি কথাটি তিনবার বলেছেন।
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।[৩৪৬৩] আহমাদ ৮২৭৭ ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, বিপুল প্রাচুর্যের মালিকরা নিচু স্তরের লোক, তবে যারা এই দিকে, সেই দিকে এবং অন্য দিকে বিলিয়ে দেয় তারা ব্যতিক্রম। তিনি কথাটি তিনবার বলেছেন, যা সতর্কতার গুরুত্ব বোঝায়। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো—সম্পদ বেশি হওয়া নিজে সম্মানের নিশ্চয়তা নয়। বরং সম্পদ কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটিই বড় বিষয়। যদি সম্পদ মানুষকে আটকে রাখে, কৃপণ করে বা দুনিয়ামুখী করে, তবে তা ক্ষতির কারণ হতে পারে। আর যদি সেই সম্পদ আল্লাহর পথে ব্যয় করা হয়, মানুষের উপকারে লাগে, তাহলে সেটি কল্যাণের দরজা হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রাচুর্য মানুষকে দায়িত্বের মুখোমুখি করে।
- সম্পদকে কল্যাণের কাজে ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।
- দানকারীরা প্রাচুর্যের ঝুঁকি থেকে আলাদা মর্যাদা পেতে পারে।
- সম্পদের পরিমাণ নয়, ব্যবহারের পদ্ধতিই আসল শিক্ষা।
