৩৭/৬. অধ্যায়ঃ
দরিদ্রদের মর্যাদা
দরিদ্র মুহাজিরদের জান্নাতে আগে প্রবেশের ফজিলত
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৪১২৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৪১২৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ الْمُخْتَارِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ عَطِيَّةَ الْعَوْفِيِّ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِنَّ فُقَرَاءَ الْمُهَاجِرِينَ يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ قَبْلَ أَغْنِيَائِهِمْ بِمِقْدَارِ خَمْسِمِائَةِ سَنَةٍ " .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ), হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: দরিদ্র মুহাজিরগণ তাদের বিত্তবানদের তুলনায় পাঁচশত বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।[৩৪৫৫] তিরমিযী ২৩৫১। তাহকীকু আসতার ১০৬, মিশকাত ২১৯৮ ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৪১২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দরিদ্র মুহাজিরদের একটি বিশেষ মর্যাদার কথা বলেছেন। তারা তাদের ধনী মুহাজির ভাইদের তুলনায় পাঁচশত বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বার্তা খুব পরিষ্কার—আল্লাহর পথে ঈমান নিয়ে জীবন কাটানো, অভাব সহ্য করা এবং দুনিয়ার প্রাচুর্য না থাকা কোনো অপমানের বিষয় নয়। “দরিদ্র মুহাজিরদের ফজিলত” বিষয়টি আমাদের শেখায়, আল্লাহর কাছে সম্মান কেবল সম্পদের ওপর দাঁড়িয়ে নেই। এ হাদিসে ধনীদের নিন্দা নয়; বরং দরিদ্র মুহাজিরদের জন্য আখিরাতের বিশেষ অগ্রগামিতার কথা বলা হয়েছে। তাই মুমিনের দৃষ্টি শুধু দুনিয়ার সুবিধার দিকে না থেকে আখিরাতের ফলাফলের দিকেও থাকা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দরিদ্র মুহাজিরদের জন্য আখিরাতে বিশেষ মর্যাদার কথা এসেছে।
- আল্লাহর কাছে সম্মান সম্পদের প্রাচুর্যের ওপর নির্ভর করে না।
- অভাবের জীবন মুমিনের জন্য অপমান নয়, যদি ঈমান অটুট থাকে।
- দুনিয়ার তুলনায় আখিরাতের সাফল্যকে বড় করে দেখা উচিত।
