৩৬/১৪. অধ্যায়ঃ
সন্দেহজনক বিষয়সমূহ থেকে বিরত থাকা
ফিতনার সময়ে ইবাদত: হিজরতের মতো মর্যাদার আমল
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৯৮৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯৮৫
حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ الْمُعَلَّى بْنِ زِيَادٍ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ، عَنْ مَعْقِلِ بْنِ يَسَارٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " الْعِبَادَةُ فِي الْهَرْجِ كَهِجْرَةٍ إِلَىَّ " .
মা'কিল বিন ইয়াসার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: কলহ ও বিপর্যয়কর পরিস্থিতি বিরাজমান কালে ইবাদতে লিপ্ত থাকা আমার কাছে হিজরত করে চলে আসার সমতুল্য।
[৩৩১৭] মুসলিম ২৯৪৮, তিরমিযী ২২০১, আহমাদ ১৯৭৮৭, ১৯৮০০। রাওদুন নাদীর ৮৬৯।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৮৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কলহ ও বিপর্যয়ের সময়ে ইবাদতের বিশেষ মর্যাদা বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কলহ-বিপর্যয়কর পরিস্থিতিতে ইবাদতে লিপ্ত থাকা তাঁর কাছে হিজরত করে আসার সমতুল্য। এখানে “হারজ” বা অশান্ত পরিস্থিতিতে মানুষ সাধারণত ভয়, রাগ, কথা-কাটাকাটি ও বিভ্রান্তিতে জড়িয়ে পড়ে। হাদিসটি সেই সময় বান্দাকে ইবাদতের দিকে ফিরতে শেখায়। অর্থাৎ যখন চারদিকে ঝামেলা বাড়ে, তখন নিজের আমল, নামাজ, যিকর, দোয়া ও আল্লাহর আনুগত্যে মন দেওয়া নিরাপদ পথ। “ফিতনার সময় ইবাদত” শুধু ব্যক্তিগত শান্তির কথা নয়; বরং ফিতনায় নিজেকে ভুল কাজে না জড়ানোর একটি দ্বীনি শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কলহের সময় ইবাদতকে গুরুত্ব দিতে হবে।
- ফিতনায় জড়িয়ে পড়ার বদলে আল্লাহর দিকে ফিরতে হবে।
- অশান্ত সময়ে আমল বান্দাকে সংযত রাখতে সাহায্য করে।
- ইবাদত ফিতনা থেকে দূরে থাকার একটি নিরাপদ পথ।
