৩৬/১২. অধ্যায়ঃ

কলহ-বিপর্যয় চলাকালে রসনা সংযত রাখা

ভালো কথা বলো, নইলে নীরব থাকো—জিহ্বা সংযমের হাদিস

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯৭১

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي حَصِينٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَسْكُتْ ‏"‏ ‏.‏

আবু হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের উপর ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে অন্যথা নীরব থাকে।

[৩৩০৩] সহীহুল বূখারী ৬০১৮, ৬১৩৬, ৬১৩৮, মুসলিম ৪৭, তিরমিযী ২৫০০, আবূ দাঊদ ৫১৫৪, আহমাদ ৭৫৭১, ৯৩১২।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৭১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) খুব সহজ ভাষায় জিহ্বা সংযমের মূলনীতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখেরাতের উপর ঈমান রাখে, সে যেন ভালো কথা বলে, অন্যথা নীরব থাকে। অর্থাৎ কথা বলার আগে একজন মুমিনকে ভাবতে হবে—এই কথা কি কল্যাণকর, সত্য, দরকারি এবং নিরাপদ? যদি ভালো কথা না হয়, তবে চুপ থাকা উত্তম। এই হাদিস দৈনন্দিন জীবন, পরিবার, সমাজ, বিতর্ক, অনলাইন মন্তব্য—সব জায়গায় কাজে লাগে। এখানে মূল কিওয়ার্ড হলো ভালো কথা, নীরব থাকা, ঈমান, আখেরাত এবং জিহ্বার হিফাজত। হাদিসটি কঠিন কোনো ভাষা নয়; বরং সহজ এক নীতি দেয়—মুখ খুললে কল্যাণ বলো, না হলে নীরব থাকো।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ভালো কথা বলা ঈমানের সুন্দর প্রকাশ।
  • কল্যাণকর কথা না হলে নীরব থাকা নিরাপদ।
  • আখেরাতের বিশ্বাস মানুষকে কথায় সতর্ক করে।
  • জিহ্বা সংযম দৈনন্দিন জীবনের বড় শিক্ষা।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন