৩৬/১২. অধ্যায়ঃ

কলহ-বিপর্যয় চলাকালে রসনা সংযত রাখা

কলহ-বিপর্যয় থেকে দূরে থাকা ও জিহ্বা সংযম

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯৬৮

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ إِيَّاكُمْ وَالْفِتَنَ فَإِنَّ اللِّسَانَ فِيهَا مِثْلُ وَقْعِ السَّيْفِ ‏"‏ ‏.‏

ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা কলহ-বিপর্যয় থেকে অবশ্যই দূরে থাকবে। কেননা তাতে রসনা হবে তরবারির ন্যায় ধারালো।

[৩৩০০] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। দঈফাহ ২৪৭৯।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৬৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সরাসরি বলেছেন, তোমরা কলহ-বিপর্যয় থেকে অবশ্যই দূরে থাকবে। কারণ তাতে রসনা বা জিহ্বা তরবারির আঘাতের মতো হয়ে যায়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ফিতনা শুধু হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার বিষয় নয়; অনেক সময় কথা, মন্তব্য, গুজব বা উসকানিই মানুষের ক্ষতি বাড়ায়। তাই ফিতনার সময় মুখের ব্যবহার খুব সতর্ক হওয়া দরকার। কেউ যদি অকারণে পক্ষ নেয়, আগুন লাগানো কথা বলে, বা অন্যদের উত্তেজিত করে, তাহলে তার কথাই ক্ষতির কারণ হতে পারে। এই হাদিসের মূল কিওয়ার্ড হলো ফিতনা থেকে দূরে থাকা, জিহ্বার হিফাজত, কলহ-বিপর্যয় ও কথা বলার সতর্কতা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কলহ-বিপর্যয় থেকে দূরে থাকা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর স্পষ্ট নির্দেশ।
  • ফিতনার সময় জিহ্বা তরবারির মতো ক্ষতি করতে পারে।
  • গুজব, উসকানি ও কঠিন ভাষা থেকে সাবধান থাকা উচিত।
  • শান্ত থাকার জন্য কথা কমানো অনেক সময় নিরাপদ পথ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন