৩৬/১১. অধ্যায়ঃ

দু’ মুসলমান পরস্পর সংঘাতে লিপ্ত হলে

দুই মুসলিমের সশস্ত্র সংঘর্ষ: হত্যাকারী ও নিহত উভয়ের সতর্কতা

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯৬৩

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مُبَارَكُ بْنُ سُحَيْمٍ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ "‏ مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ الْتَقَيَا بِأَسْيَافِهِمَا إِلاَّ كَانَ الْقَاتِلُ وَالْمَقْتُولُ فِي النَّارِ ‏"‏ ‏.‏

আনাস বিন মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেন: দুজন মুসলমান পরস্পর সশস্ত্র সংঘর্ষে লিপ্ত হলে হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়ে জাহান্নামে যাবে।

[৩২৯৫] হাদিসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। গায়াতুল মারাম ২৫৬ নং পৃষ্ঠা।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৬৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, দুজন মুসলমান পরস্পর সশস্ত্র সংঘর্ষে লিপ্ত হলে হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি উভয়ে জাহান্নামে যাবে। এখানে শুধু বাহ্যিক ফল নয়, সংঘর্ষে অংশ নেওয়ার ভয়াবহতা বোঝানো হয়েছে। মুসলিম সংঘাত, তরবারি নিয়ে মুখোমুখি হওয়া এবং হত্যার ইচ্ছা—এসব বিষয়কে হাদিসটি কঠোরভাবে সতর্ক করেছে। এই বর্ণনায় বিস্তারিত কারণ বলা হয়নি, তবে মূল বার্তা স্পষ্ট: মুসলমানের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেওয়া কোনো হালকা বিষয় নয়। তাই ব্যক্তিগত রাগ, দলীয় উত্তেজনা বা ফিতনার সময়ে একজন মুমিনের উচিত নিজের হাত ও অস্ত্রকে সংযত রাখা এবং রক্তপাত থেকে দূরে থাকা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মুসলিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নেওয়া ভয়াবহ গুনাহের পথ খুলে দেয়।
  • সশস্ত্র সংঘাতে অংশ নেওয়া শুধু হত্যাকারীর জন্য নয়, অংশগ্রহণকারীর জন্যও বিপজ্জনক।
  • ফিতনা ও রাগের সময় রক্তপাত থেকে দূরে থাকা জরুরি।
  • মুসলমানের প্রাণের মর্যাদা রক্ষা করা ইসলামী শিক্ষার বড় অংশ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন