৩৬/৪. অধ্যায়ঃ
মুসলমানকে গালি দেয়া ফাসেকী এবং তাকে হত্যা করা কুফরী
মুসলমানকে গালি দেওয়া ফাসেকি: ইসলামে সম্মান রক্ষার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৯৪১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯৪১
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ سَعْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " سِبَابُ الْمُسْلِمِ فُسُوقٌ وَقِتَالُهُ كُفْرٌ " .
সা’দ (বিন আবূ ওয়াক্কাস) (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: মুসলমানকে গালি দেওয়া ফাসেকি এবং তাকে হত্যা করা কুফরি।
[৩২৭৩] আহমাদ ১৫২২, ১৫৪০।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৪১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মুসলমানের প্রতি আচরণের দুটি বড় সীমা জানিয়ে দিয়েছেন। প্রথমটি হলো গালি দেওয়া। অনেক সময় মানুষ ঝগড়ার সময় কথার আঘাতকে ছোট মনে করে, কিন্তু হাদিসে মুসলমানকে গালি দেওয়াকে ফাসেকি বলা হয়েছে। দ্বিতীয়টি হলো হত্যা। মুসলমানের প্রাণ নেওয়াকে হাদিসে কুফরি বলা হয়েছে, যা এর ভয়াবহতা বুঝিয়ে দেয়। এখানে মূল বিষয় মুসলিমের সম্মান ও নিরাপত্তা। একজন মুমিনের মুখ থেকে এমন কথা বের হওয়া উচিত নয়, যা অন্য মুসলিমকে অপমান করে। আর হাত এমন কাজে উঠা উচিত নয়, যা অন্যের প্রাণ বা নিরাপত্তা নষ্ট করে। এই হাদিস মুসলিম হত্যা কুফরি এবং গালি দেওয়ার গুনাহ সম্পর্কে স্পষ্ট সতর্কতা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসলমানকে গালি দেওয়া ঈমানি আচরণের বিপরীত কাজ।
- হত্যা ও হানাহানি মুসলিম সমাজের জন্য বড় বিপদ।
- জিহ্বার ক্ষতি কখনো ছোট করে দেখা উচিত নয়।
- মুসলিমের সম্মান ও জীবন রক্ষা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা।
