৩৬/৩. অধ্যায়ঃ
লুট-তরাজ ও ছিনতাই নিষিদ্ধ
প্রকাশ্যে লুটতরাজ ও ছিনতাই: ‘সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়’
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৯৩৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯৩৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنِ انْتَهَبَ نُهْبَةً مَشْهُورَةً فَلَيْسَ مِنَّا " .
জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে লুটতরাজ ও ছিনতাই করলো সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
[৩২৬৭] তিরমিযী ১৪৪৮, আবূ দাউদ ৪৩৯১, ৪৩৯২।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) প্রকাশ্যে লুটতরাজ ও ছিনতাইয়ের বিষয়ে কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রকাশ্যে লুটতরাজ ও ছিনতাই করলো, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। বাক্যটি ছোট হলেও এর বার্তা খুব স্পষ্ট। লুটতরাজ শুধু অন্যের সম্পদ নেয়ার বিষয় নয়; এতে মানুষের নিরাপত্তা, সম্মান এবং সমাজের শান্তি নষ্ট হয়। হাদিসে “প্রকাশ্যে” শব্দটি এসেছে, অর্থাৎ এমন লুট যা মানুষের সামনে ঘটে এবং ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে। এই শিক্ষা মানুষকে অন্যের সম্পদ থেকে দূরে থাকতে বলে। মুসলিম চরিত্র হলো নিরাপত্তা দেয়া, ভয় সৃষ্টি করা নয়। তাই ছিনতাই, জোর করে নেয়া বা সুযোগে লুট করা—এসব কাজ থেকে দূরে থাকা জরুরি। তাই সম্পদের লোভে অন্যের অধিকার নষ্ট করা থেকে নিজেকে ও সমাজকে বাঁচানো দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লুটতরাজ ও ছিনতাই মুসলিম চরিত্রের সাথে যায় না।
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) এমন কাজের প্রতি কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন।
- অন্যের সম্পদ জোর করে নেয়া মানুষের নিরাপত্তা নষ্ট করে।
- প্রকাশ্য অন্যায় সমাজে ভয় ও অশান্তি বাড়ায়।
