৩৬/২. অধ্যায়ঃ

মুমিন ব্যক্তির জান-মালের নিরাপত্তা

প্রত্যেক মুসলিমের জান, মাল ও সম্মান পবিত্র

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯৩৩

حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ، وَيُونُسُ بْنُ يَحْيَى، جَمِيعًا عَنْ دَاوُدَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ كُرَيْزٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ ‏ "‏ كُلُّ الْمُسْلِمِ عَلَى الْمُسْلِمِ حَرَامٌ دَمُهُ وَمَالُهُ وَعِرْضُهُ ‏"‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ প্রত্যেক মুসলিমের জান-মাল ও মান-সম্মানে হস্তক্ষেপ করা অপর মুসলিমের জন্য হারাম।

৩২৬৫. মুসলিম ২৫৬৪।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯৩৩-এর সারসংক্ষেপ

এই ছোট হাদিসে বড় শিক্ষা আছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, প্রত্যেক মুসলিমের জান, মাল ও মান-সম্মানে হস্তক্ষেপ করা অপর মুসলিমের জন্য হারাম। এখানে তিনটি বিষয় একসাথে এসেছে—জীবন, সম্পদ এবং সম্মান। অনেক সময় মানুষ শুধু জান-মালের ক্ষতিকে বড় মনে করে, কিন্তু এই হাদিসে মান-সম্মানকেও একই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। তাই গালি, অপবাদ, অপমান, অন্যের সম্পদে অন্যায় আচরণ কিংবা নিরাপত্তা নষ্ট করা—সবই এই শিক্ষার বিপরীত পথে যেতে পারে। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত হলেও মুসলিম সমাজের শান্তি ও নিরাপত্তার মূল নীতি মনে করিয়ে দেয়। “মুসলিমের জান মাল ইজ্জত হারাম” কথাটি শুধু মুখের কথা নয়; আচরণে তা মানতে হয়। তাই নিজের কথা, কাজ ও আচরণে অন্য মুসলিমের নিরাপত্তা রক্ষা করা এই হাদিসের সরাসরি দাবি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মুসলিমের জীবন, সম্পদ ও সম্মান অন্য মুসলিমের জন্য পবিত্র।
  • মান-সম্মানের ক্ষতিও হাদিসে গুরুতরভাবে উল্লেখ হয়েছে।
  • অন্যের অধিকার রক্ষা করা মুসলিম চরিত্রের অংশ।
  • ছোট হাদিস হলেও সামাজিক নিরাপত্তার বড় নীতি শেখায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন