৩৫/১০. অধ্যায়ঃ

স্বপ্নের ব্যাখ্যা

স্বপ্নে হাতকড়া: দ্বীনের উপর অবিচল থাকার ইঙ্গিত

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৯২৬

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْهُذَلِيُّ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ أَكْرَهُ الْغُلَّ وَأُحِبُّ الْقَيْدَ الْقَيْدُ ثَبَاتٌ فِي الدِّينِ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি গলায় বেড়ি স্বপ্নে দেখা অপছন্দ করি, কিন্তু হাতকড়া পছন্দ করি। কারণ হাতকড়া অর্থ দ্বীনের উপর অবিচল থাকা।

[৩২৫৮] সহীহুল বুখারী ৭০১৭, মুসলিম ২২৬৩, তিরমিযী ২২৭০, ২২৯১, আবু দাউদ ৫০১৯, দারিমী ২১৬০।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৯২৬-এর সারসংক্ষেপ

এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) স্বপ্নের দুটি প্রতীকের কথা বলেছেন। তিনি গলায় বেড়ি দেখা অপছন্দ করেন, কিন্তু হাতকড়া পছন্দ করেন। কারণ তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, হাতকড়া অর্থ দ্বীনের উপর অবিচল থাকা। এখানে স্বপ্নের ব্যাখ্যা খুব সরলভাবে এসেছে। হাতকড়া সাধারণত মানুষ পছন্দ করে না, কিন্তু স্বপ্নের প্রতীকে তা দ্বীনে স্থির থাকার অর্থে এসেছে। হাদিস থেকে বোঝা যায়, স্বপ্নের অর্থ সব সময় বাহ্যিক চেহারার মতো হয় না। তবে এই হাদিসের সীমা হলো শুধু হাতকড়ার ব্যাখ্যা; তাই অন্য স্বপ্নের ক্ষেত্রে একই নিয়ম নিজেরা বানানো ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, দ্বীনের উপর অবিচল থাকা একজন মুমিনের জন্য প্রশংসনীয়। তাই স্বপ্নের প্রতীক বুঝতে হাদিসের ভাষার বাইরে না গিয়ে দ্বীনে স্থির থাকার শিক্ষাই নেওয়া উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হাতকড়ার স্বপ্নকে এখানে দ্বীনের উপর অবিচল থাকার অর্থে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
  • স্বপ্নের অর্থ সব সময় বাহ্যিক রূপের মতো হয় না।
  • দ্বীনে স্থির থাকা মুমিনের জন্য বড় শিক্ষা।
  • যে ব্যাখ্যা হাদিসে এসেছে, সেটুকুই নিরাপদভাবে বলা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন