৩৫/১. অধ্যায়ঃ
যে উত্তম স্বপ্ন মুসলমান ব্যক্তি দেখে বা তাকে দেখানো হয়
উত্তম স্বপ্ন: নবুওয়াতের সত্তর ভাগের এক ভাগ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৮৯৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৮৯৭
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ جُزْءٌ مِنْ سَبْعِينَ جُزْءًا مِنَ النُّبُوَّةِ " .
ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ উত্তম স্বপ্ন নবুয়তের সত্তর ভাগের একভাগ।
[৩২২৯] মুসলিম ২২৬৫।রাওদুন নাদীর ৬২৬।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৮৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উত্তম স্বপ্নের মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, উত্তম স্বপ্ন নবুওয়াতের সত্তর ভাগের এক ভাগ। এখানে “উত্তম স্বপ্ন” শব্দটি গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ সব স্বপ্ন নয়, বরং ভালো ও কল্যাণময় স্বপ্নের কথা বলা হয়েছে। মুমিন ভালো স্বপ্ন দেখলে তা তার জন্য আনন্দ, আশা বা সতর্কতার কারণ হতে পারে। তবে স্বপ্নকে বড় করে নিজের সিদ্ধান্তের একমাত্র ভিত্তি বানানো হাদিসের সরাসরি শিক্ষা নয়। এই হাদিস আমাদের ভারসাম্য শেখায়—ভালো স্বপ্নকে সম্মান করা, কিন্তু আল্লাহর বিধান ও নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর শেখানো পথকে জীবনের আসল মানদণ্ড রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উত্তম স্বপ্নের একটি মর্যাদা আছে।
- সব স্বপ্ন এক ধরনের নয়; ভালো স্বপ্ন আলাদা গুরুত্ব পায়।
- স্বপ্ন নিয়ে সংযত থাকা এবং আমলে মনোযোগ রাখা দরকার।
