৩৪/৭. অধ্যায়ঃ
তোমাদের কেউ তাড়াহুড়া না করলে তার দুআ’ কবুল হয়
দোয়া কবুলে ধৈর্য: তাড়াহুড়া না করার নববী শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৮৫৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৮৫৩
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ، مَوْلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " يُسْتَجَابُ لأَحَدِكُمْ مَا لَمْ يَعْجَلْ " . قِيلَ وَكَيْفَ يَعْجَلُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " يَقُولُ قَدْ دَعَوْتُ اللَّهَ فَلَمْ يَسْتَجِبِ اللَّهُ لِي " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন: তোমাদের যে কোন লোকের দোয়া কবুল হয়ে থাকে, যাবত না সে তাড়াহুড়া করে। বলা হলো, ইয়া রাসূলুল্লাহ! লোকে তাড়াহুড়া কিভাবে করে? তিনি বলেন: দোয়াকারী বলে, আমি আল্লাহর নিকট দোয়া করলাম কিন্তু আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করেননি।
[৩১৮৫] সহীহুল বুখারী ৬৩৪০, মুসলীম ২৭৩৫, তিরমিযী ৩৩৮৭, আবূ দাউদ ১৪৮৪, আহমাদ ৯৯৩৯, মুওয়াত্তা’ মালিক ৪৯৫।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৮৫৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো দোয়ায় ধৈর্য। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমাদের যে কোনো লোকের দোয়া কবুল হয়, যতক্ষণ না সে তাড়াহুড়া করে। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করলেন, তাড়াহুড়া কেমন? নবী صلى الله عليه وسلم বললেন, দোয়াকারী বলে—আমি আল্লাহর কাছে দোয়া করেছি, কিন্তু আল্লাহ আমার দোয়া কবুল করেননি। এতে বোঝা যায়, দোয়া করার পর হতাশ হয়ে পড়া বা আল্লাহর রহমত নিয়ে তাড়াহুড়ার ভাষা ব্যবহার করা ঠিক নয়। বান্দা দোয়া করবে, আল্লাহর উপর ভরসা রাখবে এবং সময়, পদ্ধতি ও ফল আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেবে। এই হাদিস দোয়া কবুল হওয়ার আদব, ধৈর্য ও ভালো ধারণার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দোয়া করার পর তাড়াহুড়া করা উচিত নয়।
- আল্লাহর রহমত থেকে হতাশ ভাষা ব্যবহার করা ঠিক নয়।
- দোয়ার সঙ্গে ধৈর্য ও ভরসা থাকা দরকার।
- কবুলের সময় ও ধরন আল্লাহর হাতে।
