৩৩/৫৭. অধ্যায়ঃ
ক্ষমা প্রার্থনা
দৈনিক শতবার ইস্তিগফার: নবীজির আমলের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৮১৫
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৮১৫
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِنِّي لأَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ فِي الْيَوْمِ مِائَةَ مَرَّةٍ " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আমি দৈনিক শতবার আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং তওবা করি।
[৩১৪৭] আহমাদ ৭৭৩৪,৮২৮৮।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৮১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তিনি দৈনিক শতবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং তওবা করেন। এটি ইস্তিগফারের গুরুত্ব বোঝানোর জন্য খুব শক্তিশালী শিক্ষা। নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর জীবনে আল্লাহর স্মরণ, তওবা ও ক্ষমা প্রার্থনা ছিল নিয়মিত আমল। এই হাদিস আমাদের শেখায়, মুমিনের জীবনে ইস্তিগফার শুধু ভুলের পর জরুরি কাজ নয়; বরং প্রতিদিনের আমল হওয়া উচিত। মানুষ কথা, কাজ ও ভাবনায় ভুল করতে পারে। তাই আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া, ক্ষমা চাওয়া এবং তওবার মন রাখা দরকার। এখানে নির্দিষ্টভাবে দৈনিক শতবারের কথা এসেছে, তাই যে ব্যক্তি এই আমল করতে চায়, সে সংখ্যার বিষয়েও যত্নবান হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দৈনিক শতবার ইস্তিগফার করতেন।
- ক্ষমা প্রার্থনা মুমিনের নিয়মিত আমল হওয়া উচিত।
- তওবা মানে আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার মন রাখা।
- সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকলে তা অনুসরণ করা ভালো।
