৩৩/৫৫. অধ্যায়ঃ

প্রশংসাকারীদের ফাদীলাত

নিয়ামতের পর আলহামদুলিল্লাহ বলার ফজিলত

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৮০৫

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْخَلاَّلُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ شَبِيبِ بْنِ بِشْرٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مَا أَنْعَمَ اللَّهُ عَلَى عَبْدٍ نِعْمَةً فَقَالَ الْحَمْدُ لِلَّهِ ‏.‏ إِلاَّ كَانَ الَّذِي أَعْطَاهُ أَفْضَلَ مِمَّا أَخَذَ ‏"‏ ‏.‏

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ কোনো বান্দাকে যখন যে নিয়ামতই দান করেন, তাতে সে যদি বলে, “আলহামদু লিল্লাহ”, তবে তা (প্রশংসা) তাকে প্রদত্ত জিনিসের চেয়ে উত্তম।

[৩১৩৭] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৮০৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, আল্লাহ কোনো বান্দাকে যে নিয়ামতই দেন, বান্দা যদি বলে আলহামদুলিল্লাহ, তবে সেই প্রশংসা তাকে দেওয়া জিনিসের চেয়ে উত্তম। এখানে নিয়ামত বলতে হাদিসে সাধারণভাবে আল্লাহর দেওয়া দান বোঝানো হয়েছে। মানুষ অনেক সময় নিয়ামত পায়, কিন্তু কৃতজ্ঞতা ভুলে যায়। এই হাদিস সেই ভুল থেকে সতর্ক করে। আলহামদুলিল্লাহ বলা মানে শুধু মুখে একটি শব্দ বলা নয়; এর মধ্যে আছে আল্লাহকে দাতা হিসেবে মানা, নিজের অক্ষমতা বোঝা এবং নিয়ামতের মূল্য স্বীকার করা। হাদিসটি আমাদের শেখায়, কোনো ভালো কিছু পেলে আগে আল্লাহর প্রশংসা করা উচিত। নিয়ামত ছোট হোক বা বড়, আলহামদুলিল্লাহ মুমিনের কৃতজ্ঞতার সহজ ভাষা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নিয়ামত পেলে আল্লাহর প্রশংসা করা উচিত।
  • আলহামদুলিল্লাহ কৃতজ্ঞতার সহজ ও সুন্দর বাক্য।
  • বান্দার প্রশংসা আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।
  • নিয়ামতকে নিজের কৃতিত্ব ভাবা থেকে সতর্ক থাকা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন