৩৩/৩৯. অধ্যায়ঃ
চুনা ব্যবহার করা
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতায় গোপনীয়তা: চুনা ব্যবহারের হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৭৫১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭৫১
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هَاشِمٍ الرُّمَّانِيِّ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ إِذَا اطَّلَى بَدَأَ بِعَوْرَتِهِ فَطَلاَهَا بِالنُّورَةِ وَسَائِرَ جَسَدِهِ أَهْلُهُ .
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) চুনা ব্যবহারকালে প্রথমে তাঁর লজ্জাস্থানে তা লাগাতেন, অতঃপর সমস্ত শরীরে তাঁর স্ত্রীগণ চুনা লাগিয়ে দিতেন।
[৩০৮৩] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় এসেছে, নবী (صلى الله عليه وسلم) চুনা ব্যবহারকালে প্রথমে তাঁর লজ্জাস্থানে তা নিজে লাগাতেন, এরপর শরীরের বাকি অংশে তাঁর স্ত্রীগণ চুনা লাগিয়ে দিতেন। হাদিসটি খুব ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার বিষয় বলছে, তাই ব্যাখ্যাতেও সংযম দরকার। এখানে চুনা ব্যবহার ও লজ্জাস্থানের গোপনীয়তা মূল বিষয়। নবীজি নিজের সতরের অংশ নিজেই সামলাতেন—এ থেকে ব্যক্তিগত পর্দা ও লজ্জাশীলতার শিক্ষা পাওয়া যায়। স্ত্রীদের মাধ্যমে শরীরের বাকি অংশে সহায়তা পাওয়া বৈবাহিক আস্থার দিকও দেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার কাজেও লজ্জাশীলতা রক্ষা করা উচিত।
- লজ্জাস্থানের বিষয় নিজে সামলানো গোপনীয়তার সঙ্গে বেশি মানানসই।
- স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আস্থা ও শালীন সহায়তার জায়গা হতে পারে।
