৩৩/৩৩. অধ্যায়ঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নাম ও তাঁর উপনাম একত্র করা
মুহাম্মাদ নাম রাখা ও আবুল কাসিম উপনাম: হাদিসের সহজ ব্যাখ্যা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৭৩৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭৩৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " تَسَمَّوْا بِاسْمِي وَلاَ تَكَنَّوْا بِكُنْيَتِي " .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমার উপনামে নাম রেখো না।
৩০৬৮. সহীহুল বুখারী ৩১১৪, মুসলিম ২১৩৩, তিরমিযী ২৮৪২, আহমাদ ১৩৭৭১, ১৩৮৩৭, ১৩৯৪৭, ১৪৫৪৬, ১৪৭১০।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৩৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, “তোমরা আমার নামে নাম রাখো, কিন্তু আমার উপনামে নাম রেখো না।” একই কথায় অনুমতি ও নিষেধ—দুটিই আছে। নবীজির নাম রাখা ভালোবাসার প্রকাশ হতে পারে, কিন্তু তাঁর উপনাম গ্রহণে সতর্কতা রাখা দরকার। এখানে কোনো ব্যক্তির ঘটনা নেই; শুধু সরাসরি নির্দেশ আছে। তাই ব্যাখ্যায়ও সরলভাবে বলা উচিত: নাম রাখা যাবে, উপনাম নয়। “মুহাম্মাদ নাম রাখা যাবে কি” বা “আবুল কাসিম উপনাম” বিষয়ে এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। নাম ও উপনাম মানুষের পরিচয় তৈরি করে; তাই নবীজির সঙ্গে জড়িত নামের ক্ষেত্রে আদব, সম্মান ও নির্দেশনা মানা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজির নামে নাম রাখার কথা হাদিসে এসেছে।
- নবীজির উপনাম গ্রহণে নিষেধ এসেছে।
- নাম ও উপনামে সম্মান বজায় রাখা দরকার।
- সরল নির্দেশকে সরলভাবেই মানা উচিত।
