৩৩/২৮. অধ্যায়ঃ

জ্যোতিষ বিষয়ক জ্ঞান অর্জন

জ্যোতিষ বিদ্যা শেখা: জাদু বিদ্যার শাখা নিয়ে সতর্ক হাদিস

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭২৬

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَاهَكَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ "‏ مَنِ اقْتَبَسَ عِلْمًا مِنَ النُّجُومِ اقْتَبَسَ شُعْبَةً مِنَ السِّحْرِ زَادَ مَا زَادَ ‏"‏ ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু শিক্ষা করল, সে যেন জাদু বিদ্যার একটা শাখা আয়ত্ত করল, এখন তা যত বাড়ায় বাড়াক।

[৩০৫৮] আবূ দাউদ ৩৯০৫, আহমাদ ২০০১, ২৮৩৬। সহীহাহ ৭৯৩।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭২৬-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি জ্যোতিষ বিদ্যার কিছু শিক্ষা করল, সে যেন জাদু বিদ্যার একটি শাখা আয়ত্ত করল; এখন তা যত বাড়ায় বাড়াক। এখানে “জ্যোতিষ বিদ্যা” বলতে এমন জ্ঞানকে বোঝানো হয়েছে, যার মাধ্যমে নক্ষত্র বা তারকার নামে অদৃশ্য খবর, ভাগ্য বা ভবিষ্যৎ দাবি করা হয়। হাদিসের মূল সতর্কতা হলো, এ ধরনের শিক্ষা মানুষকে জাদুর দরজার দিকে নিয়ে যায়। তাই মুসলিমের জন্য ভাগ্য গণনা, রাশিফল বা তারকার ওপর ভবিষ্যৎ নির্ভর করার চিন্তা থেকে বাঁচা জরুরি। “জ্যোতিষ বিদ্যা হাদিস” বা “জাদু বিদ্যার শাখা” খোঁজার সময় মনে রাখতে হবে, বর্ণনাটি সরাসরি জ্ঞান অর্জনের নামে ভুল পথে যাওয়ার ভয় দেখাচ্ছে। আল্লাহর ওপর ভরসা করাই নিরাপদ পথ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • জ্যোতিষ বিদ্যা শেখা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
  • তারকা বা নক্ষত্রের নামে ভাগ্য নির্ভর করা ঠিক নয়।
  • হাদিসে জ্যোতিষ বিদ্যাকে জাদুর একটি শাখার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
  • মুমিনের ভরসা আল্লাহর ওপর হওয়া উচিত।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন