৩৩/১৯. অধ্যায়ঃ
তোমাদের নিকট কোন সম্প্রদায়ের সম্মানিত ব্যক্তি এলে তোমরা তার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে
সম্মানিত ব্যক্তিকে সম্মান করার ইসলামী আদব
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৭১২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭১২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا سَعِيدُ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِذَا أَتَاكُمْ كَرِيمُ قَوْمٍ فَأَكْرِمُوهُ " .
ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তোমাদের নিকট কোন সম্প্রদায়ের সম্মানিত ব্যক্তি এলে তোমরা তাকে যথাযথ সম্মান করো।
[৩০৪৪] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন। সহীহাহ ১২০৫, রাওদুন নাদীর ২৬৮।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭১২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমাদের কাছে কোনো সম্প্রদায়ের সম্মানিত ব্যক্তি এলে তাকে যথাযথ সম্মান করো। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু সামাজিক আচরণের জন্য খুব দরকারি শিক্ষা দেয়। এখানে অহংকার, চাটুকারিতা বা অন্যায় সমর্থনের কথা বলা হয়নি; বলা হয়েছে যথাযথ সম্মান করতে। অর্থাৎ যিনি তাঁর জনগোষ্ঠী বা সমাজে মর্যাদাসম্পন্ন, তাঁর সঙ্গে ভদ্রতা, সৌজন্য ও সম্মান রেখে আচরণ করা উচিত। এতে সম্পর্ক ভালো থাকে এবং মানুষ অপমানিত বোধ করে না। হাদিসটি আমাদের শেখায়, অতিথি বা সম্মানিত ব্যক্তির সঙ্গে আচরণে ভারসাম্য রাখতে হবে—সম্মান থাকবে, কিন্তু অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সমাজে সম্মানিত ব্যক্তির সঙ্গে ভদ্র আচরণ করা উচিত।
- সম্মান দেখানো মানে অন্যায়কে সমর্থন করা নয়।
- আতিথ্য ও সৌজন্যে ভারসাম্য রাখা দরকার।
