৩৩/১৭. অধ্যায়ঃ

অনুমতি প্রার্থনা

নামাজরত অবস্থায় সংকেত দেওয়ার নববী আদব

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭০৮

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُجَىٍّ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ كَانَ لِي مِنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مُدْخَلاَنِ مُدْخَلٌ بِاللَّيْلِ وَمُدْخَلٌ بِالنَّهَارِ فَكُنْتُ إِذَا أَتَيْتُهُ وَهُوَ يُصَلِّي يَتَنَحْنَحُ لِي ‏.‏

আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট আমার হাজির হওয়ার দু’টি সময় নির্দিষ্ট ছিল : রাতে একবার এবং দিনে একবার। আমি তাঁর নিকট তাঁর নামাজরত অবস্থায় উপস্থিত হলে তিনি আমার উদ্দেশে গলা খাঁকারি দিতেন।

[৩০৪০] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭০৮-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আলী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে তাঁর যাওয়ার দুটি নির্দিষ্ট সময় ছিল—রাতে একবার, দিনে একবার। তিনি যখন নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে যেতেন এবং নবী صلى الله عليه وسلم নামাজে থাকতেন, তখন নবী صلى الله عليه وسلم তাঁর উদ্দেশে গলা খাকারি দিতেন। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর শিক্ষা সীমিতভাবে নিতে হবে। এতে বোঝা যায়, প্রয়োজন হলে কথা না বলে ইশারা বা হালকা সংকেতের মাধ্যমে আগন্তুককে অবস্থা বোঝানো যায়। একই সঙ্গে নামাজের মর্যাদাও বজায় থাকে। এখানে অনুমতি, শৃঙ্খলা ও ব্যক্তিগত সাক্ষাতের আদব—এই তিনটি দিক সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নির্দিষ্ট সময়ে সাক্ষাতের শৃঙ্খলা রাখা ভালো।
  • নামাজরত অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় কথা এড়িয়ে চলা উচিত।
  • প্রয়োজনে ভদ্র সংকেত দিয়ে আগন্তুককে অবস্থা জানানো যায়।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন