৩৩/১৫. অধ্যায়ঃ
মুসাফাহা (করমর্দন) করা
মুসাফাহার ফজিলত: সাক্ষাতে ক্ষমার আশা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৭০৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭০৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنِ الأَجْلَحِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَا مِنْ مُسْلِمَيْنِ يَلْتَقِيَانِ فَيَتَصَافَحَانِ إِلاَّ غُفِرَ لَهُمَا قَبْلَ أَنْ يَتَفَرَّقَا " .
বারা’ বিন আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ দুইজন মুসলমান পারস্পরিক সাক্ষাতে মুসাফাহা করলে তারা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পূর্বেই তাদের ক্ষমা করা হয়।
[৩০৩৫] তিরমিযী ২৭২৭, আবূ দাঊদ ৫২১১। সহীহাহ ৫২৫,৫২৬।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, দুইজন মুসলমান দেখা করে মুসাফাহা করলে তারা আলাদা হওয়ার আগে তাদের ক্ষমা করা হয়। এখানে মুসাফাহার ফজিলত খুব সুন্দরভাবে এসেছে। তবে ব্যাখ্যায় অতিরঞ্জন করা ঠিক নয়; হাদিসে যা বলা হয়েছে, সেটাই যথেষ্ট বড় শিক্ষা। মুসাফাহা শুধু হাত মেলানো নয়, এটি আন্তরিকতা, ভ্রাতৃত্ব ও ভালো সম্পর্কের প্রকাশ। যখন দুই মুসলমান ভালো মনে সাক্ষাৎ করে, তখন তাদের মাঝে দূরত্ব কমে এবং সম্পর্ক নরম হয়। এই হাদিস আমাদের শেখায়, দেখা-সাক্ষাতে রূঢ়তা নয়, হাসিমুখ ও মুসাফাহার মাধ্যমে ভালোবাসা প্রকাশ করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসাফাহা মুসলিম ভ্রাতৃত্বের সুন্দর প্রকাশ।
- সাক্ষাতে আন্তরিকতা ক্ষমা লাভের কারণ হতে পারে।
- মানুষের সঙ্গে দেখা হলে ভালো আচরণ করা উচিত।
