৩৩/১৪. অধ্যায়ঃ
শিশু ও নারীদের সালাম করা
নারীদের সালাম দেওয়ার ইসলামী শিষ্টাচার
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৭০১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭০১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، سَمِعَهُ مِنْ، شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ يَقُولُ أَخْبَرَتْهُ أَسْمَاءُ بِنْتُ يَزِيدَ، قَالَتْ مَرَّ عَلَيْنَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي نِسْوَةٍ فَسَلَّمَ عَلَيْنَا .
আসমা’ বিনতু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের মহিলাদের নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের সালাম দিয়েছেন।
[৩০৩৩] তিরমিযী ২৬৯৭, আবূ দাঊদ ৫২০৪, আহমাদ ২৭০১৪, দারিমী ২৬৩৭। সহীহাহ ৮২৩, হিজাবুল মাবআহ ৯৯, ১০০।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কয়েকজন মহিলার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁদের সালাম দিয়েছেন। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো সালাম একটি সম্মানজনক ও শান্তিপূর্ণ সম্ভাষণ। এটি মানুষের মাঝে ভদ্রতা ও ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলে। এখানে কোনো বাড়তি ঘটনা বলা হয়নি; শুধু এটুকুই জানা যায় যে নবী صلى الله عليه وسلم তাঁদের সালাম দিয়েছেন। তাই ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও মূল কথার মধ্যেই থাকা উচিত। এই হাদিস আমাদের শেখায়, সামাজিক চলাফেরায় সালামের আদব রক্ষা করা জরুরি। তবে সম্পর্ক, পরিবেশ ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ভদ্রভাবে সালাম দেওয়া উচিত—যাতে সম্মান থাকে এবং অস্বস্তি না হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাম সামাজিক ভদ্রতার একটি সুন্দর মাধ্যম।
- নারীদের প্রতিও সম্মানজনক আচরণ করা ইসলামী আদবের অংশ।
- সালাম দেওয়ার সময় পরিবেশ ও শালীনতা খেয়াল রাখা উচিত।
