৩৩/১৩. অধ্যায়ঃ
যিম্মীদের সালামের উত্তর দেয়া
কটু কথার জবাবে সংযম: নবীজির ওয়া আলাইকুম শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৯৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৬৯৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهُ أَتَى النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَاسٌ مِنَ الْيَهُودِ فَقَالُوا السَّامُ عَلَيْكَ يَا أَبَا الْقَاسِمِ . فَقَالَ " وَعَلَيْكُمْ " .
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর নিকট একদল ইহুদী এসে বললো, আস-সামু আলায়কা ইয়া আবুল কাসিম! (হে আবুল কাসিম! তোমার মৃত্যু হোক)। তিনি উত্তরে বলেনঃ ওয়া আলাইকম (তোমাদের উপরও)।
[৩০৩০] সহীহুল বুখারী ২৯৩৫,৬০২৪, ৬২৫৬, ৬৩৯৫, ৬৯২৭, মুসলিম ২১৬৫, তিরমিযী ২৭০১, আহমাদ ২৩৫৭০, ২৪৩৩০, ২৪৫০৮, ২৫১০৫, ২৫৩৯৩।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৬৯৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একদল ইহুদী নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে এসে আস-সামু আলায়কা বলে, যার অর্থ ছিল মৃত্যুর কামনা। নবীজি উত্তরে বলেন, ওয়া আলাইকম। এখানে নবীজির সংযম ও ভাষার নিয়ন্ত্রণ দেখা যায়। তিনি কটু কথার জবাবে বাড়াবাড়ি করেননি, বরং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয়েছেন। হাদিসটি আমাদের শেখায়, কেউ খারাপ কথা বললে সঙ্গে সঙ্গে রাগে ভেসে যাওয়া উচিত নয়। বিশেষ করে ধর্মীয় শিষ্টাচার ও সামাজিক আচরণে সংযম দরকার। আহলে কিতাবের সালাম, কটু বাক্যের জবাব এবং ওয়া আলাইকুম—এই হাদিসের প্রধান বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কটু কথার জবাবে সংযম রাখা নববী আদব।
- অপমানজনক শব্দ শুনেও ভাষা নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
- নির্দিষ্ট জবাব দিয়ে বাড়াবাড়ি এড়ানো যায়।
- নবীজির আচরণে ধৈর্য ও শিষ্টাচার দেখা যায়।
