৩৩/৯. অধ্যায়ঃ
নম্র ব্যবহার
নম্রতার সাথে দাওয়াত: আল্লাহর পছন্দের আচরণ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৮৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৬৮৮
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ حَفْصٍ الأُبُلِّيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِنَّ اللَّهَ رَفِيقٌ يُحِبُّ الرِّفْقَ وَيُعْطِي عَلَيْهِ مَا لاَ يُعْطِي عَلَى الْعُنْفِ " .
আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ আল্লাহ হলেন রফীক (নম্র), তিনি নম্রতা পছন্দ করেন। তিনি নম্রতার সাথে (দীনের) দাওয়াত দানকারীকে যে পরিমাণ সওয়াব দান করেন, কঠোরতা প্রদর্শনকারীকে তদ্রূপ দান করেন না।
[৩০২০] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৬৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, আল্লাহ রফীক বা নম্র; তিনি নম্রতা পছন্দ করেন। তিনি নম্রতার সাথে দাওয়াত দানকারীকে যে সওয়াব দেন, কঠোরতা প্রদর্শনকারীকে তেমন দেন না। এখানে দাওয়াতের বড় একটি আদব শেখানো হয়েছে। মানুষকে ভালো কথা বলার সময় ভাষা, ভঙ্গি ও ব্যবহার নরম হওয়া দরকার। কঠোর কথা অনেক সময় সত্য কথাকেও মানুষের কাছে কঠিন করে তোলে। আর নম্রতা মানুষকে শুনতে সাহায্য করে। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো নম্র দাওয়াত, ভালো আচরণ এবং কঠোরতা বর্জন। তবে হাদিসটি দাওয়াতে শিথিলতা নয়, বরং সুন্দর পদ্ধতির শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহ নম্রতা পছন্দ করেন।
- দাওয়াতে নরম ভাষা ও ভালো আচরণ গুরুত্বপূর্ণ।
- কঠোরতা অনেক সময় উপকারের পথ সংকুচিত করে।
- সঠিক কথা বলার পাশাপাশি বলার ধরনও সুন্দর হওয়া দরকার।
